kalerkantho

শুক্রবার । ৬ কার্তিক ১৪২৮। ২২ অক্টোবর ২০২১। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

এক ঘাট দুজনকে ইজারা, লক্ষ্মীপুর আ. লীগে বিরোধ

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি   

৪ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জেলা পরিষদ ও বিআইডাব্লিউটিএর উদ্যোগে লক্ষ্মীপুরে মজুচৌধুরীর হাট লঞ্চ ও ফেরিঘাট দুইজনকে আলাদাভাবে ইজারা দেওয়া নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। দুই ইজাদারের পক্ষে তিন দিন ধরে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে পৃথকভাবে অবস্থান নিয়েছে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষ। এরইমধ্যে গতকাল সন্ধ্যায় জেলা পরিষদের ইজারাদার ইসমাইল হোসেন পাঠানের নেতৃত্বে চাঁদপুরের বিআইডাব্লিউ টিএর উপ-পরিচালক কায়সারুল ইসলামকে লাঞ্চিত করা হয়েছে বলে  অভিযোগ উঠেছে। এদিকে সহিংসতা এড়াতে গতকাল লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. আনোয়ার হোছাইন আকন্দ সভা করেছেন। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এই সভায় ঘাটের মালিক দাবিদার লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদ ও চাঁদপুর বিআইডাব্লিউটিএর কর্মকর্তারা ছাড়াও দুই পক্ষের ইজারাদারসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় কাগজপত্র পর্যালোচনা করে ঘাটটি জেলা পরিষদের মালিকানা ও ইজারা বৈধ বলে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। তাছাড়া আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসন হলে ঘাটের মালিকানা বিআইডাব্লিউটিএ’র কাছে বুঝিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয় ওই সভায়। সংশ্লিষ্ট জানায়, ২০২১-২২ অর্থ বছরের জন্য চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের মাধ্যমে ৯০ লাখ টাকায়  আওয়ামী লীগ সমর্থক সদর উপজেলার বাঞ্চানগর এলাকার ইসমাইল হোসেন পাঠানকে লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদ ইজারা দেয়। সম্প্রতি ইসমাইলকে ঘাট বুঝিয়েও দেওয়া হয়। অন্যদিকে ২০১৭ সালে মজুচৌধুরীরহাট ঘাটটি নৌ-বন্দর হিসেবে গেজেটভুক্ত হয়। এ কারণে বিআইডাব্লিউটিএ ২০২১-২২ অর্থবছরে জন্য ঘাটটি ৫৪ লাখ টাকায় ইজারা দেয় আওয়ামী লীগ সমর্থক সদর উপজেলার নুরুল্যাপুর গ্রামের শিমুল চক্রবর্তীকে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুই ইউপি চেয়ারম্যান জানান, জেলা পরিষদ ও বিআইডাব্লিউটিএ থেকে আলাদা ইজারা নেওয়া দুই ব্যক্তির পক্ষ নিয়েছে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী দুইটি পক্ষ।

 



সাতদিনের সেরা