kalerkantho

শুক্রবার । ৬ কার্তিক ১৪২৮। ২২ অক্টোবর ২০২১। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

৪ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কালের কণ্ঠে গত ২৭ জুন ‘নেতায় জিম্মি জনস্বাস্থ্য’, ২৮ জুন ‘কাজ বাগাতে কূটকৌশল/বাধা দিলেই প্রতিশোধ’ এবং ২৯ জুন ‘অপরিচিত ওষুধ গছিয়ে উৎসব’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদন তিনটির প্রতিবাদ জানিয়েছেন জয়পুরহাট সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম সোলায়মান আলী।

নিজের স্বাক্ষরিত প্রতিবাদপত্রে তিনি বলেছেন, ‘প্রকাশিত সংবাদ তিনটিতে তাঁকে জড়িয়ে যা প্রকাশ করা হয়েছে, তা অসত্য, বানোয়াট, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। শিডিউল ক্রয়-বিক্রয় কিংবা দরপত্র দাখিলে কোনো ঠিকাদার বা প্রতিনিধিকে কোনো ধরনের বাধা দেওয়া হয়নি। বরং ঠিকাদার/প্রতিনিধি, আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণের পরস্পর আলাপ-আলোচনা ও সমঝোতার ভিত্তিতে দরপত্রের কাজগুলো সম্পন্ন হয়েছে।’

প্রতিবাদপত্রে নেতা সোলায়মান আলী আরো বলেন, ‘আমাকে জড়িয়ে যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজ বাগানোর কথা বলা হয়েছে, তা আদৌ সত্য নয়। একাধিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান উল্লিখিত এমএসআর সামগ্রী সরবরাহ করে আসছে। সরকারি বিধি মোতাবেক ক্রয়সংক্রান্ত মেডিক্যাল বোর্ডের অনুমোদন সাপেক্ষে সম্পূর্ণ নিয়ম-কানুন মেনেই ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে। তা ছাড়া আমার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কখনো কোনো ক্যাডার বাহিনী ছিল না এবং এখনো নেই।’

প্রতিবেদকের বক্তব্য : এস এম সোলায়মান আলী একজন সরকারদলীয় নেতা এবং জনপ্রতিনিধি। তিনি কোনো ঠিকাদার নন; তাঁর নামে কোনো ঠিকাদারি লাইসেন্সও নেই। অথচ তিনি জয়পুরহাট জেলার সব সরকারি হাসপাতালে এমএসআর সামগ্রী সরবরাহের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বছরের পর বছর, যা তিনি প্রতিবেদনেও অকপটে স্বীকার করেছেন আবার এই প্রতিবাদপত্রেও স্পষ্ট করে বলছেন; এমনকি সমঝোতার ভিত্তিতে দরপত্রের কাজগুলো সম্পন্ন হওয়ার কথাও বলছেন। আর ঠিকাদার না হয়েও ঠিকাদারি চালিয়ে যাওয়া যে শুধু ক্ষমতার জোরেই সম্ভব, সেটা কি বলার অপেক্ষা রাখে? আর এটাই ছিল আমাদের তিন পর্বের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের প্রধান বিষয়। প্রতিবেদনের শুরুতেই বলা হয়েছে, নিয়মের আড়ালেই চালানো হচ্ছে টেন্ডার-সন্ত্রাস। আর সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে প্রতিবেদনে সেটাই তুলে ধরা হয়েছে এবং সব নথিপত্র কালের কণ্ঠ’র সংগ্রহে রয়েছে।



সাতদিনের সেরা