kalerkantho

রবিবার । ১ কার্তিক ১৪২৮। ১৭ অক্টোবর ২০২১। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

আইন ও সালিশ কেন্দ্র

জীবনধারণের পর্যাপ্ত বিকল্প ব্যবস্থা না হলে চরম বিপর্যয় আসবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শ্রমজীবী নিম্নবিত্ত মানুষের জীবনধারণের জন্য পর্যাপ্ত বিকল্পের ব্যবস্থা না করে শাটডাউন বা লকডাউন হলে তা তাদের চরম বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দেবে। এসব জনগোষ্ঠীর কাছে সঠিকভাবে পর্যাপ্ত সহায়তা পৌঁছে দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব। দেশে কঠোর বিধি-নিষেধ বা লকডাউনের প্রথম দিন গতকাল বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে এ কথা বলেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।

বিবৃতিতে বলা হয়, গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানা যায়, যন্ত্রচালিত গণপরিবহন বন্ধ থাকায় এবং শিল্প ও পোশাক কারখানাগুলোর কর্মজীবীদের আনা-নেওয়ার জন্য নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা না থাকায় তাঁদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। শত শত মানুষকে হেঁটে কর্মস্থলে যেতে দেখা দেখা গেছে। আবার কাউকে কাউকে দ্বিগুণ-তিন গুণ ভাড়া দিয়ে রিকশা-ভ্যানসহ নানা বিকল্প পরিবহনে যেতে হচ্ছে। এটি শ্রমজীবী মানুষের ওপর তীব্র অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করছে। এ ছাড়া জরুরি চিকিৎসার জন্য যাদের যন্ত্রচালিত পরিবহনের প্রয়োজন পড়ছে, তারাও বিপাকে পড়ছে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে সরকার লকডাউনকে একটি উপায় হিসেবে ব্যবহার করছে; জনসাধারণের সুরক্ষার জন্য নিঃসন্দেহে তা মেনে চলার বিকল্প নেই। কিন্তু প্রতিবারের মতো এবারও লক্ষ করা যাচ্ছে, শ্রমজীবী নিম্নবিত্ত মানুষের জীবনধারণের জন্য পর্যাপ্ত বিকল্পের ব্যবস্থা না করে এভাবে শাটডাউন বা লকডাউন দেওয়া হলে তা তাদের চরম বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দেবে।

আসক বলছে, ‘গণমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, লকডাউনের প্রথম দিনেই বিধি-নিষেধ না মেনে অকারণে বাসা থেকে বের হওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় দেড় শতাধিক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে অনেকেই জানিয়েছে, তারা লকডাউনের কথা জানে না। প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত বিধি-নিষেধ আরো স্পষ্ট বা সাধারণের বোধগম্য করে ব্যাপকভাবে প্রচার করা আবশ্যক।’



সাতদিনের সেরা