kalerkantho

বুধবার । ১১ কার্তিক ১৪২৮। ২৭ অক্টোবর ২০২১। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

পোশাক কারখানা খোলা থাকবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৮ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আজ সোমবার থেকে যে লকডাউন শুরু হচ্ছে, সেখানে দেশের শীর্ষ রপ্তানি আয়ের খাত তৈরি পোশাক কারখানা খোলা থাকছে। একই সঙ্গে খোলা থাকছে রপ্তানিপ্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত ব্যাংক, বন্দর ও নিজস্ব পরিবহন। তবে শ্রমিক নেতারা মনে করেন, খাদ্য ও আর্থিক নিরাপত্তা না থাকায় শ্রমিকরা কাজে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। করোনার টিকায়ও নেই তাঁদের অগ্রাধিকার। ফলে জীবনের চেয়ে জীবিকা বড় হয়ে উঠেছে তাঁদের কাছে। গতকাল রবিবার খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। পোশাক খাতের মালিকরা জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে তৈরি পোশাক কারখানা খোলা থাকবে; লকডাউন নিয়ে সরকারের দেওয়া প্রজ্ঞাপনেও এটা নিশ্চিত করা হয়েছে। এ ছাড়া জরুরি সেবার আওতায় থাকবে রপ্তানিমুখী শিল্প। দূরে থাকা শ্রমিকদের কারখানায় নিজস্ব পরিবহনে আনা-নেওয়া নিশ্চিত করবেন নিজ নিজ মালিকরা। এটা করা না গেলে ওই সব শ্রমিক পূর্ণ মজুরিসহ ছুটিতে থাকবেন। গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতি সভার প্রধান তাসলিমা আকতার বলেন, লকডাউন মানে শ্রমিকদের চাকরি হারানোর আতঙ্ক। ফলে জীবনের চেয়ে জীবিকা প্রধান হয়ে উঠেছে পোশাক শ্রমিকদের কাছে। তাই লকডাউন মানে জীবিকা হারানোর আতঙ্ক। তাঁদের নেই কোনো খাদ্য ও আর্থিক নিরাপত্তা। সরকার অগ্রধিকার ভিত্তিতে অন্যান্য খাতকে টিকার আওতায় নিলেও শ্রমিকদের অগ্রাধিকারের আওতায় আনা হয়নি। তৈরি পোশাক খাতের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি মো. ফারুক হাসান কালের কণ্ঠকে বলেন, সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুসারে লকডাউনে পোশাক কারখানা খোলা থাকবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে কারখানা চালাতে হবে। এ সময় গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। তাই কাছের শ্রমিকদের দিয়েই কারখানা চালু রাখা হবে। আর যেসব শ্রমিক দূরে থাকেন, তাঁদের কারখানা কর্তৃপক্ষ নিজস্ব পরিবহনে আনা-নেওয়ার ব্যবস্থা করবে। আনা-নেওয়ার ব্যবস্থা না করতে পারলে ওই সব শ্রমিককে পূর্ণ মজুরিসহ ছুটি দেওয়ার আহবান জানিয়েছেন তিনি।

নিট পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিকেএমইএর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম কালের কণ্ঠকে বলেন, জরুরি সেবা হিসেবে বন্দর, কাস্টম ও রপ্তানিমুখী শিল্প স্বল্প পরিসরে খোলা থাকবে লকডাউনে।