kalerkantho

সোমবার  । ১২ আশ্বিন ১৪২৮। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৯ সফর ১৪৪৩

টিকা কিনতে ৮০০০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে এডিবি

৪৭ কোটি ডলারের সুদ হবে ২%। বাকি ৪৭ কোটির ক্ষেত্রে সুদের হার হবে লাইবর ভিত্তিক

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৫ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিশ্বব্যাংকের পরে এবার করোনার টিকা কিনতে বাংলাদেশকে ৯৪ কোটি ডলার দিচ্ছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় সাত হাজার ৯৯০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ধরে)।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর শেরেবাংলানগরে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) ও এডিবির মধ্যে এসংক্রান্ত চুক্তি সই হয়েছে। ইআরডি সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন ও এডিবির পক্ষে কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ এতে সই করেন।

ঋণের অর্ধেক, অর্থাৎ ৪৭ কোটি ডলারের জন্য বাংলাদেশকে ২ শতাংশ হারে সুদ দিতে হবে। পাঁচ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ (রেয়াত কাল) ২৫ বছরের মধ্যে এই অর্থ শোধ করতে হবে। বাকি ৪৭ কোটি ডলারের ক্ষেত্রে সুদের হার হবে লাইবর (লন্ডন ইন্টার ব্যাংক অফারড রেট) ভিত্তিক। সেই সঙ্গে অব্যয়িত অর্থের ওপর ০.১৫ শতাংশ হারে কমিটমেন্ট ফি প্রযোজ্য হবে। তিন বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ১৫ বছরে পরিশোধযোগ্য।

অনুষ্ঠানে বলা হয়, ‘রেসপনসিভ কভিড-১৯ ভ্যাকসিন ফর রিকভারি প্রজেক্ট আন্ডার দ্য এশিয়া প্যাসিফিক ভ্যাকসিন অ্যাকসেস ফ্যাসিলিটি’ প্রগ্রামের আওতায় এ ঋণ দিচ্ছে এডিবি।

অর্থ বিভাগ এই প্রগ্রামের উদ্যোগী বিভাগ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বাস্তবায়নকারী সংস্থা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে এবং স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ প্রকল্পের সার্বিক তদারকি করবে। ভ্যাকসিন সাপোর্ট প্রগ্রামটি জুন ২০২১ থেকে মে ২০২৪ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে।

এডিবি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী। এডিবি এ পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারকে ২৬.৪৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সহায়তা দিয়েছে। এর মধ্যে ২৫.২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণ সহায়তা এবং ১.২১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অনুদান সহায়তা।

এডিবি করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে বাংলাদেশের সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাব উত্তরণের লক্ষ্যে ৫০ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত আর্থিক প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়নে ২৫ কোটি ডলারের পলিসি সাপোর্ট, কভিড-১৯ রেসপন্স ইমার্জেন্সি অ্যাসিসট্যান্স শীর্ষক প্রকল্পে ১০ কোটি মার্কিন ডলার সহায়তা এবং কভিড মোকাবেলায় ৯.৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুদান সহায়তা দিয়েছে। বাংলাদেশে উন্নয়ন সহায়তার ক্ষেত্রে এডিবি প্রধানত বিদ্যুৎ, জ্বালানি, পরিবহন, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, কৃষি, পানিসম্পদ, সুশাসন, ফাইন্যান্স ও বেসরকারি খাতকে প্রাধান্য দেয়।