kalerkantho

সোমবার । ৫ আশ্বিন ১৪২৮। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১২ সফর ১৪৪৩

মুসা ম্যানশনে অগ্নিকাণ্ড

দেড় মাসে জামিন সব আসামির

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

২৩ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাজধানীর পুরান ঢাকার আরমানিটোলার হাজি মুসা ম্যানশনে কেমিক্যাল গোডাউনে অগ্নিকাণ্ডে ছয়জনের মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় এজাহার নামীয় আট আসামির সবাই জামিন পেয়েছেন। ঘটনার ১২ দিনের মাথায় গত ৪ মে জামিন পান দুজন। এরপর ধাপে ধাপে ৪৮ দিনের ব্যবধানে জামিনে মুক্ত হন বাকিরা। আসামিদের মধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ, বাকিরা আত্মসমর্পণ করেছিলেন।

গত ২২ এপ্রিল দিবাগত রাত ৩টার দিকে হাজি মুসা ম্যানশনে নিচতলায় আগুন লাগে। এতে তিনজন পুরুষ ও একজন নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে আহত দুজন চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ঘটনায় ২৩ এপ্রিল বংশাল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আলী শিকদার আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরো ১৫-২০ জনকে আসামি করা হয়।

এ মামলায় গত ২৬ এপ্রিল মঈন অ্যান্ড ব্রাদার্স নামের কেমিক্যাল দোকানের মালিক মোস্তাফিজুর রহমান ও মোস্তফা আহম্মদকে গ্রেপ্তার করে বংশাল থানা পুলিশ। পরদিন ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সুফিয়ান মো. নোমানের আদালত তাঁদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এরপর ৪ মে এই দুজনকে জামিন দেন আদালত। পরে ৬ জুন আসামি বাপ্পি, আশরাফ হোসেন গাফফার ও সাইদুল ইসলাম; ৭ জুন মোস্তাক আহমেদ চিশতি ও বদরুজ জামান তারেক এবং ৯ জুন শহিদুল ইসলাম ফিরোজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, মুসা ম্যানশনের মালিক মোস্তফা আহম্মেদসহ অন্য কেমিক্যাল ব্যবসায়ীরা ভবনটির নিচতলায় দাহ্য পদার্থ এবং কেমিক্যাল সংরক্ষণের জন্য দোকান বা গোডাউন হিসেবে তাচ্ছিল্যভাবে ব্যবহার করেন। মানুষের জীবন বিপন্ন হতে পারে জেনেও আসামিরা অবৈধভাবে লাভবান হতে আবাসিক ভবনে দাহ্য পদার্থ ও কেমিক্যাল সংরক্ষণ করেন। অবহেলায় মৃত্যু ঘটিয়ে ও ক্ষতিসাধন করে দণ্ডবিধির ৩০৪(ক), ৩৩৭ ও ৪২৭ ধারায় তাঁরা অপরাধ করেছেন।

আসামিদের জামিন বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) তাপস কুমার পাল গতকাল মঙ্গলবার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘জামিন পাওয়া প্রত্যেক আসামির আইনগত অধিকার। মামলার তদন্ত যেহেতু চলমান সে ক্ষেত্রে অভিযোগপত্রে কার নাম আসবে, সেটা তো বলা যাবে না। সে ক্ষেত্রে আদালত নানাদিক বিবেচনা করে জামিন দিতে পারেন।’