kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৩ আশ্বিন ১৪২৮। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১। ২০ সফর ১৪৪৩

উন্নত চিকিৎসায় খালেদাকে বিদেশ নিতে চায় পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২১ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে টানা ৫৪ দিন চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তবে তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ নন। হাসপাতালে সংক্রমণের শঙ্কায় তাঁকে গুলশানের বাসভবন ‘ফিরোজা’য় চিকিৎসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তাঁর জন্য গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের চিকিৎসকরা। একই সঙ্গে তাঁরা বিএনপি চেয়ারপারসনের শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনা করে তাঁকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার সুপারিশও করেছেন। এ অবস্থায় দল ও পরিবারের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে আবারও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র পরিচয় গোপন রাখার শর্তে জানায়, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা চিন্তা করেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা তাঁকে বিদেশে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। প্রায় দুই মাস তো উনি হাসপাতালে ছিলেন। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়নি। তাই তাঁকে বিদেশে নেওয়া প্রয়োজন।

এ বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গতকাল রবিবার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘খালেদা জিয়া কভিডের আক্রমণ থেকে বেরিয়ে এসেছেন। কিন্তু দীর্ঘ চার বছর তাঁর চিকিৎসা না হওয়ার কারণে, কারাগারে রাখার কারণে তিনি অনেক রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁর হার্ট, কিডনি, লিভারে সমস্যা তৈরি হয়েছে। পুরনো অসুখ আর্থ্রাইটিসও রয়েছে। এ জন্য উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে বিদেশে নেওয়া প্রয়োজন।’

করোনা-পরবর্তী নানা জটিলতায় খালেদা জিয়া গত ২৭ এপ্রিল এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। গত শনিবার রাতে তিনি গুলশানের বাসায় ফেরেন। এর আগে ১০ এপ্রিল এই বাসায় তাঁর শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়।

হাসপাতালে ভর্তির পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিতে মে মাসের প্রথম সপ্তাহে তাঁর পরিবারের সদস্যরা সরকারের কাছে আবেদন করেন।