kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৩ আশ্বিন ১৪২৮। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১। ২০ সফর ১৪৪৩

সেনাবাহিনীতে অত্যাধুনিক টাইগার এমএলআরএস অন্তর্ভুক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২১ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সেনাবাহিনীতে অত্যাধুনিক টাইগার এমএলআরএস অন্তর্ভুক্ত

সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হলো আধুনিক এমএলআরএস। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গতকাল গণভবনে এর একটি রেপ্লিকা উপহার দেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। ছবি : পিএমও

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হলো আধুনিক টাইগার মাল্টিপল লঞ্চ রকেট/মিসাইল সিস্টেম বা এমএলআরএস।

আইএসপিআর জানায়, গতকাল রবিবার সাভার সেনানিবাসে মিলিটারি পুলিশ সেন্টার অ্যান্ড স্কুলে (সিএমপিসিঅ্যান্ডএস) এই অন্তর্ভুক্তি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে ভিডিও টেলিকনফারেন্সের (ভিটিসি) মাধ্যমে উপস্থিত ছিলেন। সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে সেনাবাহিনীর একটি আর্টিলারি ইউনিটকে এ অন্তর্ভুক্তি সনদ প্রদান করেন।

অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর জাতির পিতার হাত ধরেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পুনর্গঠন শুরু হয়। তাঁর অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়নে আওয়ামী লীগ সরকার যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখনই সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণে যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বঙ্গবন্ধু প্রণীত ‘প্রতিরক্ষা নীতি ১৯৭৪’-এর ভিত্তিতে বর্তমান সরকার নতুন করে ‘প্রতিরক্ষা নীতি ২০১৮’ এবং ‘ফোর্সেস গোল ২০৩০’ প্রণয়ন করে, যার বাস্তবায়ন অনেক দূর এগিয়ে গেছে।

তিনি বলেন, আধুনিক ও উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বর্তমান সরকার বিভিন্ন মেয়াদে সেনাবাহিনীতে অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্র, সেনা বিমান, হেলিকপ্টারসহ মডার্ন ইনফ্যান্ট্রি গেজেট, আধুনিক ইঞ্জিনিয়ারিং সরঞ্জাম ইত্যাদি সংযোজন করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অত্যাধুনিক টাইগার এমএলআরএস অন্তর্ভুক্তির ফলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সক্ষমতায় নতুন মাত্রা যোগ হলো।’ ভবিষ্যতেও সেনাবাহিনীর এই আধুনিকায়নের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলে প্রধানমন্ত্রী দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী দেশ গঠন ও বিভিন্ন দুর্যোগ মোকাবেলায় এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সেনাবাহিনীর আত্মত্যাগ ও অসামান্য অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে তিনি করোনা মোকাবেলায় দৃষ্টান্তমূলক অবদান রাখার জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সব সম্মুখযোদ্ধাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। প্রিয় মাতৃভূমির অখণ্ডতা রক্ষায় এবং জাতির যেকোনো প্রয়োজনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।