kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৩ আশ্বিন ১৪২৮। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১। ২০ সফর ১৪৪৩

ঘরের ভেতর শিক্ষক ও গৃহকর্মীর লাশ

সিলেট অফিস   

২১ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় স্কুল শিক্ষকের গলা কাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আর ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে গৃহকর্মীর লাশ। গত শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সোয়াইরগাঁও খয়েরপুর গ্রামে ঘরের জানালা ভেঙে পুলিশ দুজনের লাশ উদ্ধার করে।

ওই স্কুল শিক্ষকের নাম তপতী রানী দে লাভলী (৫৫)। গৃহকর্মীর নাম গৌরাঙ্গ বৈদ্য (২২)। গৌরাঙ্গের বাড়ি সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায়। তাঁদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বনাথ উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের লহরী গ্রামে বসবাস করে। গৌরাঙ্গের ভাই গোবিন্দ বৈদ্য নিহত শিক্ষকের মেয়ের বাসায় কাজ করেন।

ওসমানীনগর থানার ওসি শ্যামল বণিক জানান, ওই ঘর থেকে একটি রক্তমাখা দা উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের ধারণা, তপতী রানীকে গলা কেটে হত্যা করে ওই গৃহকর্মী আত্মহত্যা করেছেন।

পুলিশ জানায়, তপতী রানী দে উপজেলার দয়ামীর ইউনিয়নের সোয়াইরগাঁও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। তাঁর স্বামী ডা. বিজয়ভূষণ দে উপজেলার একটি ইউনিয়নের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। তাঁদের দুই সন্তানই চিকিৎসক। এর মধ্যে মেয়ে তাপসী দে তন্নী সিলেটের রাগীব-রাবেয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত। আর ছেলে তন্ময় দে বিপ্লব স্থানীয় তাজপুর বাজারে রোগী দেখেন। স্বামী, ছেলেসহ খয়েরপুর গ্রামে বসবাস করতেন তপতী রানী।

স্বজনরা জানায়, বিজয়ভূষণকে ঘটনার দিন বিকেলে স্থানীয় দয়ামীর বাজারে তাঁর চেম্বারে গিয়ে খাবার দিয়ে আসেন গৌরাঙ্গ। একই সময় নিজের চেম্বারে রোগী দেখছিলেন শিক্ষকের ছেলে তন্ময়ও। তিনি রাত ৯টার দিকে বাসায় ফিরে বাসার ফটকে তালা ঝুলতে দেখেন। অনেকক্ষণ ডাকাডাকির পর সাড়া না পেয়ে তিনি দেয়াল টপকে ভেতরে গিয়ে দেখেন বাসার দরজায় তিনটি তালা ঝুলছে। বাইরে থেকে ডাকাডাকি করেও ভেতরে কোনো সাড়া না পেয়ে তিনি পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে ঘরের জানালা ভেঙে দুজনের লাশ উদ্ধার করে।

ছেলে তন্ময়ও মনে করেন, গৌরাঙ্গ তাঁর মাকে হত্যা করেছেন।

তিন খুনের মামলায় গৃহকর্তা রিমান্ডে

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় দুই সন্তানসহ স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় গৃহকর্তা হিফজুর রহমানকে রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, গতকাল সকালে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পান হিফজুর। এরপর তাঁকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। দুপুর দেড়টার দিকে তাঁকে তোলা হয় আদালতে।

গত বুধবার উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের বিন্নাকান্দি দক্ষিণপাড়া গ্রামের নিজ ঘর থেকে হিফজুরের স্ত্রী আলেমা বেগম (৩০) ও তাঁর দুই সন্তানের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ঘর থেকেই হিফজুরকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।