kalerkantho

সোমবার  । ১২ আশ্বিন ১৪২৮। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৯ সফর ১৪৪৩

‘গ্লোবাল কল টু অ্যাকশন’ প্রস্তাবের নেতৃত্বে বাংলাদেশ

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

১৯ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জেনেভায় আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনে কভিডসংক্রান্ত ‘গ্লোবাল কল টু অ্যাকশন’ প্রস্তাবে নেতৃত্ব দিয়েছে বাংলাদেশ। কভিড মহামারির কারণে বিশ্বব্যাপী শ্রমবাজারে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে তা থেকে দ্রুত উত্তরণের লক্ষ্যে এবারের আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনে ওই প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।

জেনেভায় বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন গতকাল শুক্রবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, প্রস্তাবে কভিড মহামারিতে শ্রমিক শ্রেণি বিশেষত স্বাস্থ্যকর্মীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিরসনে তাদের কভিড টিকা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষাসামগ্রীর (পিপিই) প্রাপ্যতা এবং যথাযথ বেতন-ভাতার সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহবান  জানানো হয়। বিশ্ব শ্রমবাজার ও অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে বিশ্বের সব দেশের সব মানুষের জন্য সময়োচিত ও সাশ্রয়ী কভিড টিকার ন্যায়সংগত প্রাপ্যতার প্রয়োজনীয়তা জোরালোভাবে তুলে ধরা হয় প্রস্তাবে।

এ ছাড়া কভিড-১৯-এর প্রতিকূল প্রভাবে বিশ্বের উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে ক্রমবর্ধমান অসমতা দূরীকরণ এবং শ্রমবাজারে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলায় রাষ্ট্রগুলোতে যথাযথ সহায়তা প্রদানের জন্য আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থাকে অধিকতর কার্যকরী ভূমিকা পালনের আহবান  জানানো হয়। মহামারিকালীন ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার লক্ষ্যে বিশেষত নারী, বৃদ্ধ ও অভিবাসীদের জন্য বিশেষ কর্মপন্থা প্রণয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণের ওপর আলোকপাত করা হয়।

প্রস্তাবে মহামারি-পরবর্তী একটি টেকসই, গণমুখী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়। এ গুরুত্বপূর্ণ দলিলটি গত বৃহস্পতিবার শ্রম সম্মেলনের কভিডসংক্রান্ত টেকনিক্যাল কমিটিতে দীর্ঘ আপস-আলোচনার পর চূড়ান্ত করা হয়।

জেনেভায় বাংলাদেশ মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মো. মোস্তাফিজুর রহমান ওই কমিটিতে সভাপতিত্ব করেন। উল্লেখ্য, একই সময়ে কমিটিতে বাংলাদেশ এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর সমন্বয়কের ভূমিকাও পালন করে এবং এ অঞ্চলের মহামারিসংক্রান্ত চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরে তা মোকাবেলায় করণীয় সম্পর্কে দিকনির্দেশনা প্রদান করে।



সাতদিনের সেরা