kalerkantho

শনিবার । ১০ আশ্বিন ১৪২৮। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৭ সফর ১৪৪৩

লকডাউন কড়াকড়ি বাড়ছে!

দ্বিতীয় দফার বিধি-নিষেধের ৭৬ দিন আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে দেশে চলমান লকডাউনের আদলে বিধি-নিষেধের ৭৬ দিন আজ। এই লকডাউনের মেয়াদ আরো বাড়তে পারে। একই সঙ্গে যেসব জেলায় সংক্রমণ বেশি, সেসব জেলায় স্থানীয় পর্যায়ে আরো কড়াকড়ি পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, আজ বুধবার এসংক্রান্ত প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাবে। সরকারপ্রধানের সায় পেলেই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

দ্বিতীয় দফায় গত ৫ এপ্রিল প্রথমে লকডাউন জারি করে সরকার। এরপর কয়েক দফায় তা বাড়ানো হয়েছে। সর্বশেষ গত ৬ জুন থেকে বাড়ানো এই লকডাউনের মেয়াদ আজ মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে। তবে করোনায় সংক্রমণ ও মৃত্যু আবার কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় লকডাউন ও কড়াকড়ি বাড়বে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলরা। 

বিধি-নিষেধের সর্বশেষ জারি করা প্রজ্ঞাপনে মন্ত্রিপরিষদের উপসচিব রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সব পর্যটনস্থল, রিসোর্ট, কমিনিউটি সেন্টার ও বিনোদনকেন্দ্র বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠান, বিবাহত্তোর অনুষ্ঠান, জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান না করতে বলা হয়েছে। খাবার দোকান, হোটেল রেস্তোরাঁগুলো সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খাদ্য বিক্রয় এবং আসন সংখ্যার অর্ধেক রেখে গ্রহীতাদের সেবা দিতে পারছে। অর্ধেক আসনে যাত্রী নিয়ে চলতে পারছে গণপরিবহন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বিধি-নিষেধ আরেকটু কঠোর করার জন্য সুপারিশ করেছে জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। সূত্র জানায়, পরামর্শক কমিটি উচ্চ সংক্রমিত জেলাগুলোকে অন্য জেলা থেকে সম্পূর্ণরূপে বিচ্ছিন্ন করতে বলেছে। সেই সঙ্গে পরিবহন ও রেস্তোরাঁয় অর্ধেক মানুষই যেন সেবা পায়, তাও কঠোরভাবে বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের ঘোষণা দেয় সরকার। এরপর ১৮ মার্চ থেকে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়। আর ওই বছর ২৬ মার্চ থেকে টানা ৬৬ দিন অফিস বন্ধ থাকে। গত বছরের জুন থেকে প্রায় সব কিছুই স্বাভাবিক পরিস্থিতির মতো চলছিল। চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে আবারও সংক্রমণ বাড়তে থাকে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ৫ এপ্রিল থেকে বিভিন্ন মাত্রার বিধি-নিষেধ দেয় সরকার। তবে গতবার যে কড়া মাত্রার বিধি-নিষেধ বা লকডাউন ছিল, এবার সেই তুলনায় পরিস্থিতি অনেকটাই ঢিলেঢালা।



সাতদিনের সেরা