kalerkantho

রবিবার । ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২৮ নভেম্বর ২০২১। ২২ রবিউস সানি ১৪৪৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর প্রশ্ন

পাঁচ জোড়া ট্রেন থামলে বাকিগুলো কেন নয়

বিশ্বজিৎ পাল বাবু, ব্রাহ্মণবাড়িয়া   

১৬ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হেফাজতে ইসলামের ব্যাপক তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে অবশেষে ট্রেনের যাত্রাবিরতি শুরু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার থেকে সেখানে থামতে শুরু করেছে পাঁচ জোড়া মেইল ট্রেন। আজ বুধবার থেকে থামবে এক জোড়া আন্ত নগর ট্রেন। স্টেশনটিতে এরই মধ্যে সংস্কারকাজ শুরু হয়েছে।

ট্রেন থামানোর দাবির মুখে ওই ছয়টি ট্রেনের যাত্রাবিরতি বাস্তবায়নে পুরোপুরি খুশি হতে পারেনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ। যদিও কিছুটা স্বস্তি মিলেছে এখানকার যাত্রীদের মাঝে। তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসী মনে করে, ছয় জোড়া ট্রেন থামতে পারলে বাকিগুলোও থামানো সম্ভব। সদিচ্ছা থাকলেই সব ট্রেনের যাত্রাবিরতি সম্ভব।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গতকাল ভোর থেকে রাত পর্যন্ত মোট চার জোড়া মেইল ও কমিউটার ট্রেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে যাত্রাবিরতি দেয়। এর মধ্যে রয়েছে আখাউড়া-ঢাকা-আখাউড়া ও ঢাকা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া পথে তিতাস কমিউটার (দুই জোড়া), ঢাকা-সিলেট ঢাকা পথের সুরমা মেইল, ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম-ময়মনসিংহ পথের নাছিরাবাদ এক্সপ্রেস ও চট্টগ্রাম-ঢাকা-চট্টগ্রাম পথের কর্ণফুলী এক্সপ্রেস। তিতাস কমিউটার ট্রেনকে ঘিরেই যাত্রীদের আগ্রহ ছিল বেশি। ওই ট্রেনের নির্ধারিত সব আসন বিক্রি হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশে আগমনের প্রতিবাদে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীরা গত ২৬ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনটিতে হামলা করে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন। হামলাকারীরা স্টেশনের কন্ট্রোল প্যানেল বোর্ডসহ মূল্যবান জিনিসপত্র পুড়িয়ে দিলে পরদিন ২৭ মার্চ থেকে স্টেশনটিতে সব ধরনের ট্রেনের যাত্রাবিরতি বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। 



সাতদিনের সেরা