kalerkantho

শুক্রবার । ২২ শ্রাবণ ১৪২৮। ৬ আগস্ট ২০২১। ২৬ জিলহজ ১৪৪২

রোহিঙ্গাদের এনআইডি

ইসি কর্মকর্তাসহ ফেঁসে যাচ্ছেন ৩৫ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

১৬ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জালিয়াতি করে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি হিসেবে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও পাসপোর্ট পাইয়ে দেওয়ার মামলায় ফেঁসে গেছেন নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা। গত দুই দিনে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দেশব্যাপী আলোচিত এই জালিয়াতির ঘটনায় দায়ের করা তিন মামলায় ২৩ জনকে আসামি করেছে।

আজ বুধবার এনআইডি জালিয়াতির ঘটনায় আরো দুুটি মামলা হবে। এই দুই মামলায় আরো ১২ জনকে আসামি করা হবে বলে দুদক সূত্র জানিয়েছে।

দীর্ঘদিন তদন্তের পর গতকাল মঙ্গলবার দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলা দুটি দায়ের হয়। জালিয়াতির মাধ্যমে রোহিঙ্গা ডাকাত নূর আলম (পরবর্তী সময়ে র‌্যাবের ক্রসফায়ারে নিহত) ও তাঁর স্ত্রীকে জন্ম নিবন্ধন ও এনআইডি কার্ড পাইয়ে দেওয়ায় ইসি কর্মকর্তাসহ ছয়জনকে আসামি করে যে মামলা হয়েছে, তাতে বাদী হয়েছেন দুদক প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক সুভাষ চন্দ্র দত্ত। রোহিঙ্গা নারী লাকী আক্তারকে এনআইডি পাইয়ে দেওয়ার ঘটনায় অন্য মামলাটি করেছেন চট্টগ্রাম অঞ্চল-২-এর উপসহকারী পরিচালক মো. শরীফ উদ্দিন। এতে ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে নূরু ডাকাতকে জন্ম নিবন্ধন ও এনআইডি প্রাপ্তিতে সহযোগিতা করায় প্রধান আসামি করা হয় সিটি করপোরেশনের ৩৯ নম্বর দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর সরফরাজ কাদের রাসেল, একই ওয়ার্ডের জন্ম নিবন্ধন সহকারী ফরহাদ হোসাইন, ডবলমুরিং নির্বাচন অফিসের সাবেক ডাটা এন্ট্রি অপারেটর শাহ জামাল, পাঁচলাইশ থানা নির্বাচন অফিসের প্রুফ রিডার উৎফল বড়ুয়া, একই পদের রন্তু বড়ুয়া ও সাবেক পাঁচলাইশ থানা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ শেখ। এর মধ্যে আব্দুল লতিফ শেখ বর্তমানে পাবনা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার দায়িত্বে আছেন।

নূর আলমের এনআইডি কার্ড প্রাপ্তির মামলায় অভিযুক্ত তৎকালীন পাঁচলাইশ থানা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ শেখ অভিযোগ অস্বীকার করে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘শতভাগ প্রতারণা ও জালিয়াতি করে আমার সিল ব্যবহার করা হয়েছে। আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।’



সাতদিনের সেরা