kalerkantho

রবিবার । ৪ আশ্বিন ১৪২৮। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১১ সফর ১৪৪৩

রাজধানীর পশুর হাট

স্বাস্থ্যবিধিতে চোখ উত্তর সিটির, দক্ষিণের রাজস্বে

শম্পা বিশ্বাস   

১৫ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আসছে ঈদুল আজহা ঘিরে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এরই মধ্যে কোরবানির অস্থায়ী পশুর হাটের জায়গা নির্ধারণ করেছে। এ বছর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ১৩টি এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) সাতটি জায়গায় কোরবানির পশুর অস্থায়ী হাট বসাবে। হাটের ইজারার দরপত্র আহবান করে ডিএনসিসি ১০টি হাট চূড়ান্তও করেছিল। তবে শেষ সময়ে এসে লোকালয়সংলগ্ন হওয়ায় এবং করোনার স্বাস্থ্যবিধিকে গুরুত্ব দিয়ে তিনটি হাটকে এই তালিকা থেকে বাদ দেয় ডিএনসিসি। অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ বলছে, করোনাকে বিবেচনায় নিয়েই তারা ১৩টি হাটের ইজারা ডেকেছে। করোনার সঙ্গে সঙ্গে রাজস্ব বাড়ানোর বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে প্রতিষ্ঠানটি।

সারুলিয়ায় একটি স্থায়ী পশুর হাট বাদে এ বছর ঢাকা দক্ষিণের নির্ধারিত ১৩টি অস্থায়ী হাটের মধ্যে রয়েছে উত্তর শাহজাহানপুরের খিলগাঁও রেলগেট, ইনস্টিটিউট অব লেদার টেকনোলজি কলেজের পাশের হাট, পোস্তগোলা শ্মশানঘাট এলাকা, মেরাদিয়া বাজার, কমলাপুর স্টেডিয়াম সংলগ্ন বিশ্বরোড, ধোলাইখাল ট্রাক টার্মিনাল সংলগ্ন এলাকা, যাত্রাবাড়ীর দনিয়া কলেজের পাশের হাট, ধূপখোলা হাট, আফতাবনগরের ব্লক ই/এফ/জি/এইচের সেকশন ১ ও ২, আমুলিয়া মডেল টাউন সংলগ্ন হাট, লালবাগের রহমতগঞ্জ ক্লাব সংলগ্ন হাট, শ্যামপুর কদমতলী ট্রাকস্ট্যান্ড সংলগ্ন হাট এবং গোলাপবাগের হাট।

ডিএসসিসি বলছে, করোনার কারণে তারা ১৩টি হাটের জন্য ইজারা ডেকেছে। তা না হলে এই সংখ্যা আরো বেশি হতো। গেল সপ্তাহেই পশুর হাটের সংখ্যা ও স্থান চূড়ান্ত করেছে ডিএসসিসি। সেই অনুযায়ী প্রথম দফায় হাটের ইজারার দরপত্র আহ্বানের কাজও শেষ। ফলে এখন আর হাটের সংখ্যা কমাবে না ডিএসসিসি। পাশাপাশি পশুর হাটগুলো থেকে পাওয়া রাজস্ব প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন উন্নয়নকাজে ব্যয় করা হয়। ফলে হাট থেকে পাওয়া রাজস্বকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন।

সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ বলেন, ‘রাজস্বকে গুরুত্ব না দিলে তো উন্নয়ন করা যাবে না। এই হাটের রাজস্বের টাকা দিয়েই সিটি করপোরেশন উন্নয়নকাজ করে। ফলে এখান থেকে রাজস্ব না এলে তো আমি জলাবদ্ধতা, মশা নিয়ন্ত্রণ, ড্রেন পরিষ্কার করতে পারব না। কারণ এই টাকা দিয়েই তো কাজগুলো করা হয়।’

হাটের সংখ্যা বাড়লে করোনার ঝুঁকি বাড়বে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা তো অল্প সময়ের বিষয়। তিন-চার দিন বা ১০ দিনের বিষয়।

অন্যদিকে গাবতলীর একটি স্থায়ী পশুর হাট ছাড়া এ বছর ডিএনসিসি এলাকায় নির্ধারিত সাতটি অস্থায়ী পশুর হাটের মধ্যে রয়েছে ভাটারা সাঈদনগর, উত্তরা ১৭ নম্বর সেক্টর, কাওলা শিয়ালডাঙ্গা সংলগ্ন এলাকা, উত্তরখান মৈনারটেক শহীদনগর হাউজিং প্রকল্প এলাকা, আফতাবনগরের বাড্ডা ইস্টার্ন হাউজিংয়ের খালি জায়গা, মিরপুর সেকশন-৬-এর ইস্টার্ন হাউজিং এলাকা এবং উত্তরা ১৫ নম্বর সেক্টরের হাট।