kalerkantho

রবিবার । ১১ আশ্বিন ১৪২৮। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৮ সফর ১৪৪৩

অস্ত্র হাতে গণপূর্ত অফিসে আ. লীগ-যুবলীগ নেতারা

পাবনার সেই ছবি ভাইরাল

পাবনা প্রতিনিধি   

১৩ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অস্ত্র হাতে গণপূর্ত অফিসে আ. লীগ-যুবলীগ নেতারা

গণপূর্ত ভবনে ঢুকছেন পাবনা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ফারুক হোসেন (গোলাপি পাঞ্জাবি পরা), তাঁর পেছনে অস্ত্র হাতে পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ আর খান মামুন (মুখে মাস্ক)। ছবি : সিসিটিভি ফুটেজ থেকে সংগৃহীত

গণপূর্ত অধিদপ্তর পাবনা অফিসে অস্ত্র হাতে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের কয়েকজন নেতাকর্মীর প্রবেশের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তবে ওই নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, কাউকে ভয়ভীতি প্রদর্শন বা প্রভাব বিস্তারের জন্য নয়, নিরাপত্তার জন্য বহন করা বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তাঁরা গণপূর্ত অফিসে গিয়েছিলেন। গত ৬ জুন সকালে এ ঘটনা ঘটে।

গণপূর্ত অফিসের সিসিটিভি ফুটেজে গত ৬ জুন দুপুর ১২টার দিকে আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক হোসেন, এ আর খান মামুন, যুবলীগ নেতা শেখ লালু প্রমুখকে গণপূর্ত কার্যালয়ে প্রবেশ ও কিছুক্ষণ পরে বের হয়ে যেতে দেখা যায়।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ফারুক হোসেন সাংবাদিকদের জানান, তিনি গণপূর্ত বিভাগের ঠিকাদার নন। পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ আর খান মামুন এবং পাবনা জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শেখ লালুর বিলসংক্রান্ত একটি বিষয়ে আলাপের জন্য গণপূর্ত কার্যালয়ে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

গণমাধ্যমকর্মীদের মামুন জানান, নিরাপত্তার জন্য সেদিন তিনি তাঁর বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র সঙ্গে নিয়ে ব্যাবসায়িক প্রয়োজনে ইটের ভাটায় যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে বিলসংক্রান্ত আলাপের জন্য তাঁরা  ওই অফিসে যান। নির্বাহী প্রকৌশলী না থাকায় তাঁরা দেরি না করে সেখান থেকে ফিরে আসেন। অফিসের কারো সঙ্গে অসদাচরণ বা ভয়ভীতি দেখানোর কোনো ঘটনা ঘটেনি। তাঁদের ব্যাবসায়িক প্রতিপক্ষ বিষয়টি অন্যভাবে প্রচার করেছে। তবে অফিসে সশস্ত্র অবস্থায় ওইভাবে যাওয়া ভুল হয়েছে বলে স্বীকার করেন জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ফারুক হোসেন।

পাবনা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ারুল আজিম বলেন, ‘ঘটনার সময় আমি অফিসের বাইরে ছিলাম। অফিসে এসে সিসিটিভি ফুটেজে অস্ত্র হাতে অনেকে এসেছিল দেখেছি। তারা আমাকে সরাসরি বা ফোনে কোনো হুমকি দেয়নি। কথাও হয়নি। তাই আমরা লিখিত কোনো অভিযোগ করিনি।’

পাবনার পুলিশ সুপার মুহিবুল ইসলাম খান বলেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। এ বিষয়ে অস্ত্র আইনের শর্ত ভঙ্গ হয়েছে কি না খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পাবনার জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ বলেন, ‘আমি ঘটনাটি শুনেছি। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী বিষয়টি তদন্ত করছে। তাদের সুপারিশ অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



সাতদিনের সেরা