kalerkantho

শুক্রবার । ২ আশ্বিন ১৪২৮। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১। ৯ সফর ১৪৪৩

‘পছন্দের প্রার্থী নিয়োগ দিতে অনলাইনে কার্যক্রম’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

১২ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘পছন্দের প্রার্থী নিয়োগ দিতে অনলাইনে কার্যক্রম’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বিভাগীয় সভাপতি তাঁদের মেয়াদের শেষ সময়ে এসে পছন্দের প্রার্থীদের নিয়োগ দিতে অনলাইনে গণনিয়োগ কার্যক্রম শুরু করেছেন বলে দাবি করেছেন দর্শন বিভাগের আট শিক্ষক। গতকাল শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটা দাবি করে তাঁরা বলেছেন, এই ঘটনা নজিরবিহীন ও বিভাগীয় কনভেনশনের লঙ্ঘন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অধ্যাপক রায়হান রাইন বলেন, ‘আগামীকাল ১২ জুন (আজ শনিবার) দর্শন বিভাগে ছয়জন শিক্ষক নিয়োগের সাক্ষাৎকার অনলাইনে নেওয়া হবে বলে আবেদনকারীদের জানানো হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন অধ্যাদেশ পাস করানো হয়েছে। তাই চূড়ান্ত নিয়োগ পরীক্ষা অনলাইনে নেওয়াকে আমরা যথাযথ মনে করছি না। শিক্ষক নিয়োগের মতো গুরুত্বপূর্ণ যাচাই পরীক্ষা অনলাইনে নেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।’

অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, ‘শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে দর্শন বিভাগের শিক্ষা পর্ষদের সভায় কোনো আলোচনা হয়নি। অথচ গত ফেব্রুয়ারিতে ছয়জন শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এতে বিভাগের দীর্ঘদিনের কনভেনশন লঙ্ঘন করা হয়েছে। একসঙ্গে এতজন শিক্ষক নিয়োগ বিভাগে অপ্রয়োজনীয় এবং এটি দুরভিসন্ধিমূলক।’

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন দর্শন বিভাগের অধ্যাপক আনোয়ারুল্লাহ ভূঁইয়া, ফরিদ আহমেদ, মন্জুর ইলাহী, জাকির হোসেন, সহকারী অধ্যাপক আবদুছ ছাত্তার ও মোহাম্মদ উল্লাহ।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি দর্শন বিভাগে ছয়জন প্রভাষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এই ছয় পদের বিপরীতে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেবেন ৫৭ জন প্রার্থী। আজ শনিবার অনলাইনে তাঁদের মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে গত বুধবার অনলাইনে মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে এই শিক্ষক নিয়োগ বন্ধে হাইকোর্টে রিট করেন বিভাগের চারজন শিক্ষক। রিটকারী শিক্ষকরা হলেন—অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান, আনোয়ারুল্লাহ ভূঁইয়া, আবদুছ ছাত্তার ও জাকির হোসেন। রিটে শিক্ষাসচিব, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, রেজিস্ট্রারসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিবাদী করা হয়েছে। পাশাপাশি নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বরাবর লিগ্যাল নোটিশ ও ইউজিসি চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত আবেদন করেন বিভাগটির আটজন শিক্ষক।

এ বিষয়ে দর্শন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোস্তফা নাজমুল মানছুর বলেছেন, ‘অনলাইনেই মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং নিয়োগ কার্যক্রম চলবে।’



সাতদিনের সেরা