kalerkantho

সোমবার । ৫ আশ্বিন ১৪২৮। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১২ সফর ১৪৪৩

সংক্ষিপ্ত

তাহলে শিশুটির বাবা কে?

কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি   

১২ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ধর্ষণ মামলায় প্রায় ৯ মাস জেল খেটে গত ২৪ মে জামিনে ছাড়া পেয়েছেন মোস্তফা শিকদার (৪০)। এই মামলায় বলা হয়েছে, মোস্তফার ধর্ষণের কারণে ভুক্তভোগী তরুণী তিন মাস আগে একটি শিশুর জন্ম দেন। কিন্তু ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনে (রিপোর্ট) বলা হয়েছে, মোস্তফা ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেননি এটা প্রমাণিত। তাহলে তরুণীটির সন্তানের পিতা কে? এই প্রশ্ন এখন ঘটনাস্থল গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার হিরণ ইউনিয়নের তারাশী গ্রামের মানুষের মুখে মুখে। মোস্তফা শিকদার তারাশী গ্রামের মৃত আজগার আলী শিকদারের ছেলে। ভুক্তভোগী তরুণীর বাড়ি হিরণ ইউনিয়নে। জানা গেছে, গত বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর কোটালীপাড়া থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন ভুক্তভোগী তরুণীর বড় বোন। মামলায় বাদী উল্লেখ করেন, তাঁর বোনকে (তরুণী) ২০২০ সালের ১৩ এপ্রিল ধর্ষণ করেন মোস্তফা শিকদার। এতে তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। তরুণী যখন পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা তখন ধর্ষণ মামলাটি করা হয়। মামলা দায়েরের দিন রাতেই কোটালীপাড়া থানার পুলিশ মোস্তফাকে গ্রেপ্তার করে ২৪ সেপ্টেম্বর আদালতে পাঠায়। আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠান। এরপর মোস্তফার পরিবার প্রতি মাসে তাঁর জামিনের আবেদন করলে আদালত প্রতিবারই তা নামঞ্জুর করেন। এদিকে গত মার্চ মাসের মাঝামাঝি ভুক্তভোগী তরুণী এক কন্যাসন্তানের মা হন। এরপর মোস্তফার পরিবার মোস্তফা ও শিশুটির ডিএনএ পরীক্ষার জন্য গোপালগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতে আবেদন করে। পরে আদালতের নির্দেশে কোটালীপাড়া থানার পুলিশ বাংলাদেশ পুলিশ ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে ডিএনএ পরীক্ষা করায়। এখানকার ডিএনএ এক্সপার্ট দীপঙ্কর দত্ত ওই পরীক্ষার রিপোর্টে উল্লেখ করেন, ডিএনএ পরীক্ষায় নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত হয় যে মোস্তফা শিকদার ওই তরুণীর গর্ভজাত সন্তানের জৈবিক পিতা নন। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী তরুণীর কাছে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে মামলার বাদী বলেন, ‘আমরা এই ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট মানি না। পুনরায় ডিএনএ পরীক্ষার জন্য আদালতে আবেদন করব।’