kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ শ্রাবণ ১৪২৮। ৩ আগস্ট ২০২১। ২৩ জিলহজ ১৪৪২

টিকার দ্বিতীয় ডোজের জন্য ঘুরছেন অনেকে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১১ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



দেশে যাঁরা করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কোভিশিল্ডের প্রথম ডোজ নিয়েছেন, তাঁদের অনেকেই দ্বিতীয় ডোজের জন্য কেন্দ্রে কেন্দ্রে ঘুরছেন। টিকা নেই বলে তাঁদের ফিরে আসতে হচ্ছে।

এমন কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাঁরা প্রথম ডোজ যে কেন্দ্রে নিয়েছিলেন, সেখানে যাওয়ার পর তাঁদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতে বলা হয়। কিন্তু এখানে এসেও তাঁরা টিকা পাচ্ছেন না।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ডোজ টিকা নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে যাঁরা সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে দ্বিতীয় ডোজ পাচ্ছেন না, তাঁদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালসহ চারটি হাসপাতালে যেতে বলা হয়েছে।

গতকাল বৃহসপতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রাজধানীর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) সরেজমিনে ঘুরে প্রায় একই চিত্র দেখা গেছে।

বিএসএমএমইউয়ের কনভেনশন সেন্টারে কভিড-১৯ টিকাদান কেন্দ্রে দেখা যায়, শুরুতে চালু করা আটটি বুথের মধ্যে এখন চারটি খোলা রয়েছে। এই চারটির মধ্যেও দুটি ফাঁকা। বেশ কয়েকজনকে টিকার জন্য অপেক্ষা করতে দেখে যায়।

মিরপুরের পল্লবী এলাকার বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা হুমায়ন কবীর বলেন, ‘আমি এপ্রিল মাসের শুরুতে মিরপুরের একটি নার্সিং হোমে প্রথম ডোজ নিয়েছি। কিন্তু এখন দ্বিতীয় ডোজ নিতে গেলে নাই বলতেছে। এখানে (বিএসএমএমইউ) আসার পর বলতেছে, ডিজির অনুমতি লাগবে।’ পরে জানা যায়, টিকাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলার পর বয়স বিবেচনায় হুমায়ন কবীরকে টিকা দেওয়ার অনুমতি দেন টিকাকেন্দ্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা।

জানা গেছে, ওই কেন্দ্রে শুধু কোভিশিল্ড টিকার প্রথম ডোজ যাঁরা নিয়েছেন, তাঁদেরই দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হচ্ছে।

বিএসএমএমইউ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. খোরশেদ আলম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘চীনের টিকা দেওয়া শুরু হয়নি। এখনো আগে যাঁরা প্রথম ডোজ নিয়েছিলেন, তাঁদের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া চলছে। তাই একটু চাপ কম। তবে অন্য কেন্দ্রের দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া প্রার্থী অনেক বেশি। এই বিষয়টি ঝামেলায় ফেলছে। অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে অনেককে ফেরানোও যাচ্ছে না।’

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে টিকা দেওয়ার জন্য মাত্র একটি বুথ চালু রয়েছে। দুপুর ১টা পর্যন্ত এই কেন্দ্রে টিকা নিয়েছেন ৬৯ জন। যাঁরা এই কেন্দ্র থেকে টিকার প্রথম ডোজ নেননি, তাঁদের এখান থেকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হচ্ছে না। পাশের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।



সাতদিনের সেরা