kalerkantho

বুধবার । ২ আষাঢ় ১৪২৮। ১৬ জুন ২০২১। ৪ জিলকদ ১৪৪২

নীলফামারী সীমান্ত

বিধি-নিষেধের মধ্যেই আসছে গরু, সাইকেল

নীলফামারী প্রতিনিধি   

১১ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নীলফামারী জেলার সঙ্গে ভারতের সীমান্ত রয়েছে ৫১ কিলোমিটার। ডেল্টা ভেরিয়েন্ট শনাক্তের পর থেকে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে গোটা এলাকায়। তবু চোরাইপথে আসছে ভারতীয় গরু, বাইসাইকেলসহ বিভিন্ন সামগ্রী। এর সঙ্গে উভয় দেশের চোরাকারবারিরা জড়িত। ফলে ডেল্টা ভেরিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

জানা গেছে, জেলার ডোমার, ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার বড় বড় হাটবাজারগুলোতে অবাধে বিক্রি হচ্ছে ভারতীয় গরু ও বাইসাইকেল। এর মধ্যে ডোমারের আমবাড়ী হাট বাইসাইকেল ও জলঢাকা উপজেলার মীরগঞ্জ হাট গরুর জন্য বিখ্যাত। এলাকাবাসী বলছে, ভারতীয় বা ডেল্টা ভেরিয়েন্টের ভয়ে আছে তারা। 

ডিমলা উপজেলার সীমান্ত এলাকার পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খান কালের কণ্ঠকে বলেন, তিস্তা নদীবেষ্টিত পশ্চিম ছাতনাই ও পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়নের ১৩ কিলোমিটার তারকাঁটার বেড়াবিহীন এলাকা। তারকাঁটা না থাকলেও নদীটিই বেড়ার কাজ করছে। এ ছাড়া উভয় দেশে সীমান্তবর্তী নদীর চর এলাকায় কোনো বসতি না থাকায় সহজে নিয়ন্ত্রণও সম্ভব। এর পরও ডেল্টা ভেরিয়েন্ট নিয়ন্ত্রণ সতর্কতায় বিজিবির কর্মকর্তারা ঘন ঘন এলাকায় এসে জনগণকে সচেতন করতে সভা করছেন। জনগণও সচেতন হচ্ছে।

একই উপজেলার টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ময়নুল ইসলাম বলেন, ‘করোনার ভারতীয় ভেরিয়েন্টের বিস্তার রোধে আমার ইউনিয়নে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।’

করোনা সংকটে ডেল্টা প্রতিরোধের পদক্ষেপের বিষয়ে ৫৬ বিজিবির নীলফামারী ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মামুনুল হক কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা স্বাভাবিক কার্যক্রমের পাশাপাশি কিছু এডিশনাল কাজ করছি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে জনগণকে সচেতন করতে ঘন ঘন সভা করা হচ্ছে। এতে ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং এলাকাবাসী স্বতঃস্ফূর্ত হয়ে কাজ করছে। সচেতনতা বাড়াতে আমরাই মাইকে প্রচারণা চালাচ্ছি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীও মসজিদের মাইকে প্রচারণা চালাচ্ছে। জনগণকে সচেতন করতে পারায় সীমান্তে অবৈধ প্রবেশ ও চোরাচালানির হারও কমে এসেছে। জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে।’