kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৯ জুলাই ২০২১। ১৮ জিলহজ ১৪৪২

সংক্ষিপ্ত

অর্থপাচারের তথ্য আনার এখতিয়ার পররাষ্ট্রের নেই

পররাষ্ট্রসচিব বললেন

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

১০ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আইন না থাকায় দূতাবাসের মাধ্যমে বিদেশে বাংলাদেশিদের পাচার করা টাকার তথ্য জোগাড় করা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারে নেই। পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের মাধ্যমে বাংলাদেশ এমন পাচারকারীদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করে। পররাষ্ট্রসচিব বলেন, বিভিন্ন দেশের আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে পাচারের তথ্য পেতে ভরসা করতে হয় ইন্টারপোলের ওপর। তবে তথ্য পাওয়ার পুরো বিষয়টি নির্ভর করছে সরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানগুলো এ নিয়ে মামলা করছে কি না তার ওপর। উল্লেখ্য, গত ৭ জুন জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, বিদেশে টাকা কারা পাচার করে সে বিষয়ে তথ্য তাঁর কাছে নেই। বিরোধী সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘পাচারকারীদের নামগুলো আমাদের দেন। তাদের ধরা আমাদের জন্য সহজ হবে।’ অর্থপাচার ঠেকাতে সরকার সক্রিয় রয়েছে দাবি করে অর্থমন্ত্রী বলেন, এখনো পাচারকারীদের অনেকেই জেলে আছে। বিচার হচ্ছে। আগে যেমন ঢালাওভাবে চলে যেত, এখন তেমন নেই। এর আগে আলোচনায় বিএনপির রুমিন ফারহানা বলেন, বিদেশে এক লাখ কোটি টাকার ওপরে চলে যাচ্ছে। ওভার আর আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে যাচ্ছে। এর বাইরে হুন্ডির পরিমাণ ধরলে আল্লাহ মাবুদ জানেন কত টাকা বিদেশে গেছে! জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, এক ব্যাংকের পরিচালক আরেক ব্যাংকের টাকা নিচ্ছেন। টাকা নিয়ে হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশ পাঠাচ্ছেন। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, দুদকের একটি অফিস কানাডায়, মালয়েশিয়ায়, অস্ট্রেলিয়ায় করুন। তাহলে দেখা যাবে কে কত টাকা নিয়েছে। পি কে হালদার এত টাকা নিল! ৯ মিনিটের জন্য পি কে হালদারকে ধরতে পারেনি। তাহলে ৯ ঘণ্টা আগে ধরতে পারলেন না কেন? এসব সমালোচনার জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের মানুষের কষ্টে অর্জিত টাকা বিদেশে চলে যাবে, আপনাদের যেমন লাগে, আমারও কষ্ট লাগে। আমি অনিয়ম, বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে। আমরা সবাই চাই, এগুলো বন্ধ করতে হবে।’



সাতদিনের সেরা