kalerkantho

রবিবার । ৮ কার্তিক ১৪২৮। ২৪ অক্টোবর ২০২১। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

‘মোহাম্মদ নাসিমের শূন্যতা অপূরণীয়’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘মোহাম্মদ নাসিমের শূন্যতা অপূরণীয়’

মোহাম্মদ নাসিম তাঁর বাবা মনসুর আলীর মতোই সাহসী ও নির্ভীক ছিলেন। তিনি ছিলেন আপসহীন নেতা। মোহাম্মদ নাসিমের পরিবারের কেউ কখনো বঙ্গবন্ধুর রক্তের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেননি। তাঁর চলে যাওয়ায় জাতীয় রাজনীতিতে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। তাঁর শূন্যতা অপূরণীয়। মোহাম্মদ নাসিমের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আব্দুস সালাম মিলনায়তনে ঢাকাস্থ সিরাজগঞ্জ সাংবাদিক সমিতি এই স্মরণসভার আয়োজন করে। সংগঠনের সহসভাপতি সাংবাদিক তৈমুর ফারুক তুষারের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, সিরাজগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী তানভীর শাকিল জয়, সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মো. হাবিবে মিল্লাত মুন্না, সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মমিন মণ্ডল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ডা. দিলীপ রায়, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম আশরাফ তালুকদার, জাতীয় প্রেস ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ শাহেদ চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু, ঢাকাস্থ সিরাজগঞ্জ সাংবাদিক সমিতির সাবেক সভাপতি শাহনেওয়াজ দুলাল প্রমুখ। স্মরণসভাটি সঞ্চালনা করেন আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রনি।

জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ‘মোহাম্মদ নাসিমের অসামান্য সাংগঠনিক দক্ষতা ও নেতৃত্বগুণ আমাদের মুগ্ধ করেছে। বাস্তব জীবনে তিনি ছিলেন কল্যাণমুখী চিন্তার অধিকারী। সব সময় তাঁর এলাকা সিরাজগঞ্জের উন্নয়নে চিন্তা করতেন। সময়-সুযোগ পেলেই নিজ এলাকায় ছুটে যেতেন। করোনার সময়ও আমাদের নিষেধ উপেক্ষা করে তিনি সিরাজগঞ্জে ছুটে গিয়েছেন এবং করোনায় আক্রান্ত হয়ে শেষ পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেছেন।’

পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেন, মোহাম্মদ নাসিম তাঁর বাবা মনসুর আলীর মতোই সাহসী আওয়ামী লীগের জন্য নির্ভীক সৈনিক ছিলেন। কোনো দিন কারো সঙ্গে আপস করেননি, তিনি ছিলেন আপসহীন নেতা।

সিরাজগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও মোহাম্মদ নাসিমের ছেলে প্রকৌশলী তানভীর শাকিল জয় বলেন, ‘বাবার তিনটি পরিবার ছিল। প্রথম পরিবার রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও জনগণ, দ্বিতীয় গণমাধ্যমকর্মীরা, তৃতীয় ছিলাম আমরা।’



সাতদিনের সেরা