kalerkantho

শনিবার । ৯ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৪ জুলাই ২০২১। ১৩ জিলহজ ১৪৪২

পোশাকে ভর করে ইতিবাচক হচ্ছে রপ্তানি খাত

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৫ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পোশাক খাতে ভর করে ইতিবাচক ধারায় ফিরতে শুরু করেছে দেশের রপ্তানি আয়। চলতি অর্থবছরের গত ১১ মাসে মোট রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১১.৬৪ শতাংশ। একক মাস হিসেবে মে মাসেই ১১.২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ইপিবির প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে বিদেশে পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ যা আয় করেছে, তা ২০১৯-২০ অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১৩.৬৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২০-২০২১ অর্থবছরের জুলাই-মে মাসে দেশ থেকে মোট তিন হাজার ৫১৮ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। আর শুধু মে মাসেই রপ্তানি হয়েছে ৩১০ কেটি ডলার সমমূল্যের পণ্য।

এর মধ্যে এই ১১ মাসে দুই হাজার ৮৫৬ কোটি ডলারের পোশাক পণ্য রপ্তানি হয়েছে, যা আগের অর্থবছরে একই সময়ের তুলনায় ১১ শতাংশ বেশি। নিটপণ্যের রপ্তানি বাড়তে থাকায় ওভেন পণ্যের রপ্তানি নেতিবাচক হওয়া সত্ত্বেও পোশাক খাতে রপ্তানি ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে। প্রথম ১১ মাসে নিটপণ্য রপ্তানি থেকে এক হাজার ৫৩৬ কোটি ডলার ও ওভেন পণ্য রপ্তানি থেকে এক হাজার ৩১৯ কোটি ডলার আয় হয়েছে। নিটপণ্যে ২০ শতাংশ প্রবৃৃদ্ধি হয়েছে।

পোশাকের পাশাপাশি পাট ও পাটজাত পণ্য এবং চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানিতেও ভালো খবর এসেছে। এই সময়ের মধ্যে ১০৮ কোটি ডলারের পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলানায় ৩৩ শতাংশ এবং লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আড়াই শতাংশ বেশি। আর চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৮৪ কোটি ডলার সমমূল্যের।

বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ইউরোপ-আমেরিকার বাজারে চাহিদা কিছুটা বাড়ায় রপ্তানি আয়ে এই সুবাতাস ফিরলেও  উদ্যোক্তারা নায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ ছাড়া বিলম্ব হচ্ছে পাওনা। তিনি বলেন, এখন রপ্তানির আদেশ বাড়তে থাকলে পরিস্থিতির হয়তো কিছুটা উন্নতি হবে।