kalerkantho

শনিবার । ১০ আশ্বিন ১৪২৮। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৭ সফর ১৪৪৩

আদালতে দায় স্বীকার নিহতের স্ত্রী ও ইমামের

সেপটিক ট্যাংক ছয় টুকরা লাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩১ মে, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাজধানীর দক্ষিণখানে মসজিদের সেপটিক ট্যাংক থেকে আজহার নামের এক যুবকের ছয় টুকরা লাশ উদ্ধারের ঘটনায় তাঁর স্ত্রী ও মসজিদের ইমাম আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। গতকাল রবিবার ঢাকার মহানগর হাকিম আদালতে তাঁরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

নিহত আজহারের স্ত্রী আসমা আক্তার ও ইমাম আব্দুর রহমান পাঁচ দিনের রিমান্ডে থাকা অবস্থায় স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। এরপর গতকাল তাঁদের ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দক্ষিণখান থানার উপপরিদর্শক অনুজ কুমার সরকার ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দুই আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণের জন্য আবেদন করেন। এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম ধীমান চন্দ্র মণ্ডল আসমার এবং ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সুফিয়ান মো. নোমান আব্দুর রহমানের জবানবন্দি গ্রহণ করেন। এরপর দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এর আগে গত ২৬ মে দুই আসামিকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। তাঁদের ১০ দিন করে রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম নিভানা খায়ের জেসী দুজনের পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত ২৫ মে দক্ষিণখানের সরদার বাড়ি জামে মসজিদের ইমাম আব্দুর রহমানকে এবং সন্ধ্যায় রাজধানীর আব্দুল্লাহপুর এলাকা থেকে হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনাকারী নিহত আজহারের স্ত্রী আসমা আক্তারকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

মামলার সূত্রে জানা যায়, আব্দুর রহমান রাজধানীর দক্ষিণখানের সরদারবাড়ী জামে মসজিদে ৩৩ বছর ইমামতি করে আসছিলেন।

নিহত আজহারের ছেলে আরিয়ান মসজিদের মক্তবে পড়াশোনা করত। আজহারও ইমামের কাছে কোরআন শিখতেন। এই সুবাদে তাঁদের মধ্যে পারিবারিক সম্পর্ক ছিল। এ অবস্থায় আজহারের স্ত্রী ও ইমাম সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এ নিয়ে গত ১৯ মে ইমামের সঙ্গে আজহারের কথা-কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ইমাম আজহারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করে মরদেহ ছয় টুকরা করে মসজিদের সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রাখেন। ২৫ মে আজহারের লাশ উদ্ধার করা হয়।



সাতদিনের সেরা