kalerkantho

বুধবার । ১১ কার্তিক ১৪২৮। ২৭ অক্টোবর ২০২১। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

‘পশ্চাৎপদ আইন-ট্যাবু ভেঙে নারীর প্রকৃত উন্নয়ন ঘটাতে হবে’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩১ মে, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নারীর উন্নয়নে দেশে দেশে নতুন নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে উন্নয়ন নারীর ক্ষমতায়নের দিকটিকে সমৃদ্ধ করছে কি না, তা দেখতে হবে। নারীর অগ্রযাত্রাকে টেকসই করতে সব পশ্চাৎপদ আইন, নীতি ও  ট্যাবু ভেঙে নারীর প্রকৃত উন্নয়নে কাজ করতে হবে।

গতকাল রবিবার বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের ৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম এসব কথা বলেন।

সমাপনী অনুষ্ঠানে সংগঠনের প্রয়াত সভাপতি আয়েশা খানমকে সুবর্ণ জয়ন্তী সম্মাননা (মরণোত্তর) প্রদান করেন ফওজিয়া মোসলেম। সম্মাননাপত্র পাঠ করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সীমা মোসলেম।

স্বাগত বক্তব্যে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক  মালেকা বানু বলেন, নারীমুক্তি মানবমুক্তি, সুফিয়া কামালের এই দর্শনকে ধারণ করে এবং দেশের সব সংগ্রামের ধারাকে সঙ্গে নিয়েই মহিলা পরিষদের যাত্রা। এই পাঁচ দশকের পথচলায় সব পরিবর্তনকে সঙ্গে নিয়ে এবং বৈশ্বিক আন্দোলনে যুক্ত থেকে সংগঠন কাজের ধারা অব্যাহত রেখেছে।

‘মহিলা পরিষদের ৫০ বছরের পথচলা ও বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক একক বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি, লেখক ও গবেষক মফিদুল হক বলেন, স্বাস্থ্য, শিক্ষায় অগ্রগতি হয়েছে, নারীদের অবদানের কথা বলা হচ্ছে। একে টেকসই করতে হলে নারীর উন্নয়নের পথের সব বাধা দূর করতে হবে।

নাট্যব্যক্তিত্ব ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান লাকী ইমাম বেগম রোকেয়ার লেখা সুলতানার স্বপ্ন উপন্যাসটির অংশবিশেষ উপস্থাপন করেন। প্রয়াত আয়েশা খানমের একমাত্র মেয়ে উর্মি খান তাঁর পাঠানো লেখায় মায়ের স্মৃতিচারণা করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক উম্মে সালমা বেগম।

প্রসঙ্গত, ১৯৭০ সালের ৪ এপ্রিল যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ।