kalerkantho

শনিবার । ৩১ আশ্বিন ১৪২৮। ১৬ অক্টোবর ২০২১। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

ঢাবি শিক্ষার্থী হাফিজের মৃত্যু

ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলেই খোলাসা হবে রহস্য

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

২৭ মে, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার বিভাগের শিক্ষার্থী হাফিজুর রহমানের মৃত্যুর বিষয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছে পুলিশ। হাফিজের বন্ধুদের জিজ্ঞাসাবাদে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। এখন প্রাপ্ত তথ্যের সঙ্গে হাসপাতালের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন মিলিয়ে দেখলেই মৃত্যুর রহস্য খোলাসা হবে বলে মনে করছে পুলিশ।

গতকাল বুধবার হাফিজের মৃত্যুর তদন্তের বিষয়ে শাহবাগ থানা পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অফিসের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন হাফিজের সঙ্গে যারা আড্ডা দিয়েছিল তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এ ছাড়া হাফিজ সংশ্লিষ্ট আরো বেশ কয়েকজন বন্ধুকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তারা জানিয়েছে হাফিজ তাদের সঙ্গে বসে আড্ডা দিয়েছে। সেদিন হাল্কা বৃষ্টি ছিল। আড্ডার এক পর্যায়ে সেখান থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায় হাফিজ। সূত্র আরো জানায়, মাদকের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে কিছু তথ্য আসছে সেটাও যাচাই-বাছাই চলছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়া গেলে নিশ্চিত করে বলা যাবে। তবে আত্মহত্যার বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তবে কোন অবস্থায় আত্মহত্যা করেছে। কারো সম্পৃক্ততা আছে কি না—সে বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে। শিগগিরই বিষয়টি স্পষ্ট হবে।

শাহবাগ থানার ওসি মামুনুর রশিদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা অনেক এগিয়েছি। তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে সেটার সঙ্গে মিলিয়ে দেখে শিগগিরই সবাইকে জানাতে পারব।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রব্বানী কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটা বড় দাবি ছিল ওর বন্ধুদের জিজ্ঞাসাবাদ করা। সেই কাজটি করা হচ্ছে। বন্ধুদের থেকে যেসব তথ্য পাওয়া গেছে, সেগুলো যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে। তবে জিজ্ঞাসাবাদে মাদকের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পৃথকভাবে বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে রয়েছে। আগের মতো এই বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি।’



সাতদিনের সেরা