kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ শ্রাবণ ১৪২৮। ৫ আগস্ট ২০২১। ২৫ জিলহজ ১৪৪২

‘অনুমতি না দেওয়ার পেছনে খোঁড়া যুক্তি’

এখনো ‘ক্রিটিক্যাল’ অবস্থায় খালেদা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১২ মে, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘অনুমতি না দেওয়ার পেছনে খোঁড়া যুক্তি’

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি না দেওয়ার পেছনে সরকার খোঁড়া যুক্তি দিচ্ছে বলে দাবি করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে গুলশানে দলীয় চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন। একই সঙ্গে তিনি খালেদা জিয়া সম্পর্কে সরকারের কিছু মন্ত্রীর বক্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানান।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘যেসব কথা বলা হচ্ছে তা শুধু অশালীন নয়, অমার্জিত, অগ্রহণযোগ্য। আবারও বলছি, দয়া করে সংযত হোন, কথা একটু কমান। আপনারা মনে করবেন না সব সময় পার পেয়ে যাবেন। সময় যখন আসবে জনগণ তার জবাব দেবে।’

খালেদা জিয়াকে অন্তরীণ রেখে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে তাঁর দলকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া সরকারের লক্ষ্য, এমন অভিযোগ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সরকার বলেছে, চিকিৎসার জন্য খালেদাকে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দিতে পারছে না। ১৯৭৯ সালে আ স ম আবদুর রব জেলে ছিলেন। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তাঁকে এই আইনে মুক্তি দিয়ে চিকিৎসার জন্য জার্মানি পাঠিয়েছিলেন। প্রয়াত স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার পরও ২০০৮ সালে তাঁকে বিদেশে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছিল। আর নাম বলব না, অত্যন্ত উচ্চপদস্থ প্রভাবশালী সরকারি কর্মকর্তার দুই ভাই, তাঁরা ৪০১ ধারায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছিলেন। তাঁদের মাফ করে দিয়ে বাইরে পাঠানো হয়েছিল। সুতরাং কেন খোঁড়া যুক্তি দিচ্ছেন; সোজা বলেন, আমরা দেব না। বলার মতো তো বদান্যতা আপনাদের নাই, শেখ মুজিবুর রহমানের ছিল।’

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে তনি বলেন, ‘অনেক উন্নতি করেছেন তিনি (খালেদা)। এখন তিনি রুম এয়ারে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারছেন। তাঁর প্রেসার, টেম্পারেচার, অক্সিজেনও কিছুটা নরমালের দিকে চলে এসেছে। তবে কতগুলো বিষয়ে এখনো বিপজ্জনক অবস্থার মধ্যে আছেন। তাঁর কিডনির সমস্যা আছে, হার্টের সমস্যা আছে। যেগুলো নিয়ে চিকিৎসকরা এখনো অত্যন্ত উদ্বিগ্ন।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থা আপনারা জানেন, ইভেন দ্য প্রাইভেট হসপিটালস আর নট প্রোপারলি ইকুয়েপ্ট। একমাত্র এভারকেয়ার হাসপাতাল টেকনোলজিক্যাল দিক থেকে সবচেয়ে উন্নত। তার পরও তা পর্যাপ্ত নয়। তারা নিজেরাই মনে করে, অনেক সীমাবদ্ধতা আছে। সেসব দেখে তাঁর (খালেদা) পরিবার তাঁকে বাইরে নেওয়ার আবেদন করেছিল।’



সাতদিনের সেরা