kalerkantho

রবিবার । ৬ আষাঢ় ১৪২৮। ২০ জুন ২০২১। ৮ জিলকদ ১৪৪২

বাজেট প্রস্তাব

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এনবিআরের বৈঠক আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১২ মে, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আগামী অর্থবছরের জন্য বিনা প্রশ্নে আবাসন খাতে ও পুঁজিবাজারে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ রেখে রাজস্ব বাজেট প্রস্তাব প্রণয়ন করা হয়েছে। এই প্রস্তাব গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আজ বুধবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বাজেট প্রস্তুত কমিটির কর্মকর্তারা উপস্থাপন করবেন। এনবিআরের এ প্রস্তাবে দেশি মোটরসাইকেল, প্লাস্টিক, টেলিভিশন, মোবাইল ফোন শিল্পে কর সুবিধা দেওয়া হয়েছে। ১৯টি শিল্প খাতে কর অবকাশ সুবিধা বহাল রাখা হয়েছে। কমানো হয়নি সম্পূরক শুল্ক। ব্যবসায়ীদের দাবি মেনে অগ্রিম কর ও উৎসে করে ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিমের নেতৃত্বে এনবিআর করনীতি, শুল্ক ও মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট (ভেলু এডেড ট্যাক্স) শাখার তিন সদস্যসহ প্রথম সচিব ও দ্বিতীয় সচিবের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাজেটবিষয়ক বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। সকাল ১১টার দিকে অনুষ্ঠেয় এই বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এমপি, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা, অর্থসচিবও অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। বৈঠকে সশরীরে উপস্থিত না হয়ে অনেকে অনলাইনেও অংশ নিতে পারেন।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে এরই মধ্যে আগামী অর্থবছরের জন্য চলতি বাজেটের সমান লক্ষ্যমাত্রা তিন লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা সামনে রেখে রাজস্ব বাজেট প্রস্তাব প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে এনবিআর। এনবিআর সংশ্লিষ্টরা করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে এ লক্ষ্যমাত্রা কমানোর আবেদন জানালেও অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে তা আমলে নেওয়া হয়নি। শেষ চেষ্টা হিসেবে আজকের এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এনবিআর আগামী অর্থবছরের জন্য রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা কমানোর জোরালো আবেদন জানানো হতে পারে।

প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করতে এনবিআরের তৈরি প্রতিবেদনে এ বিষয়ে বলা হয়েছে, গত বছরের মার্চ থেকে এ দেশের করোনার প্রকোপ শুরু হয়েছে। করোনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাবে শিল্প খাতে গতি নেই। ব্যবসা-বাণিজ্যের অবস্থা ভালো না। গোটা অর্থনীতিতে মন্দা চলছে। এতে রাজস্ব আদায়ে ধস নেমেছে। রাজস্ব আদায়ে গত অর্থবছরে ঘাটতি ছিল ৮৫ হাজার কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের গত ৯ মাসের (জুলাই-মার্চ) ঘাটতি ৪৯ হাজার কোটি টাকা। করোনার প্রকোপ কমেনি, কবে কমবে সেটারও নিশ্চয়তা নেই। রাজস্ব আদায়ে বড় অঙ্কের ঘাটতির মুখে চলতি অর্থবছরের জানুয়ারিতে এনবিআরের লক্ষ্যমাত্রা তিন লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা থেকে তিন লাখ ৫০০ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়।