kalerkantho

শুক্রবার । ১১ আষাঢ় ১৪২৮। ২৫ জুন ২০২১। ১৩ জিলকদ ১৪৪২

সহযোগী অধ্যাপক হচ্ছেন তিন হাজার শিক্ষক

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ মে, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘বিসিএস সাধারণ শিক্ষা’ ক্যাডারের পদোন্নতি কমিটির সভা (ডিপিসি) হতে যাচ্ছে আজ রবিবার। এতে দেশের সরকারি কলেজ ও শিক্ষা প্রশাসনে কর্মরত প্রায় তিন হাজারের বেশি শিক্ষক পদোন্নতি পেতে পারেন। জানা গেছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তর পদোন্নতির যোগ্য তিন হাজার ২৫৪ জনের তালিকা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯৫ জন আত্তীকৃত শিক্ষক।

জানা গেছে, ২২ থেকে ২৬তম বিসিএস ব্যাচ পর্যন্ত শিক্ষা ক্যাডারের সহকারী অধ্যাপকদের সবাইকে পদোন্নতির প্রস্তাব করেছে মাউশি। এ জন্য সরকারকে অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হবে না। জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী প্রতিবছর ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট পেয়ে বর্তমানে পঞ্চম গ্রেডে বেতন পাচ্ছেন তাঁরা। এই সংখ্যা আড়াই হাজারের মতো। অন্যদিকে ঈদের পর প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক পদেও পদোন্নতি দেওয়া হবে। ৩৩তম ব্যাচ পর্যন্ত দুই হাজার ৫২৮ জন প্রভাষককে পদোন্নতি দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে সরাসরি ক্যাডার সার্ভিসে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক দুই হাজার ৪৩৭ জন এবং আত্তীকৃত ৯১ জন।

প্রায় তিন বছর ধরে শিক্ষা ক্যাডারের প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপকদের পদোন্নতি বন্ধ রয়েছে। শুধু সহযোগী অধ্যাপক থেকে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। পদোন্নতির সব শর্ত পূরণ করেও বছরের পর বছর বঞ্চিত থাকায় অনেকটা ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল শিক্ষকদের মধ্যে।

জানা যায়, ২২তম ব্যাচের শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা ১৭ বছর, ২৩ থেকে ২৬তম ব্যাচের কর্মকর্তারা প্রায় ১৫ বছর চাকরি করে মাত্র একবার পদোন্নতি পেয়েছেন। ২০০৮ সালে ২৭তম বিসিএসের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা উপসচিব (পঞ্চম গ্রেড) পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। অন্য ক্যাডারের কর্মকর্তারাও নিয়মিত পদোন্নতি পাচ্ছেন। অথচ একই ব্যাচের শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগপ্রাপ্তদের অনেকেই ১৩ বছর ধরে একই পদে কর্মরত রয়েছেন।