kalerkantho

রবিবার । ১০ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৫ জুলাই ২০২১। ১৪ জিলহজ ১৪৪২

সংক্ষিপ্ত

আসন্ন বাজেটে বিদ্যুৎ খাতে বিশেষ গুরুত্ব

এফইআরবির ওয়েবিনার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ মে, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আসন্ন ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটে বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। গতকাল শনিবার ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশ (এফইআরবি) আয়োজিত ‘আসন্ন জাতীয় বাজেট ২০২১-২২ : বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের প্রত্যাশা’ শীর্ষক ওয়েবিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। নসরুল হামিদ বলেন, ‘অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন নীতিমালা গ্রহণ করেছেন। বর্তমানে তাঁর জন্যই বেসরকারি উদ্যোগে ৯১টি বিদ্যুেকন্দ্রের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ৯,৪৭৩ মেগাওয়াট হয়েছে। এই সক্ষমতা মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার ৪৩ শতাংশ। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগে ২০০৯-১০ অর্থবছরে এডিপিতে (বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি) বরাদ্দ ছিল দুই হাজার ৬৪৪ কোটি ২৬ লাখ টাকা, তা বেড়ে ২০২০-২১ অর্থবছরে হয়েছে ২৪ হাজার ৭৬৮ কোটি ২২ লাখ টাকা। আগামী বাজেটে বিদ্যুৎ বিভাগ ২৬ হাজার ১১৮ কোটি ৭৬ লাখ টাকা পেতে পারে। অর্থাৎ বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা ও গুরুত্ব বাড়ছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব হাবিবুর রহমান বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই হিটওয়েভে আমরা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দিতে পেরেছি। এটি বিশাল স্বস্তির খবর।’ বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ কেনা-বেচার মধ্যে ১.১৬ টাকা লোকসান হচ্ছে। আমরা যে দামে কিনছি সেই দামে বিক্রি করতে পারছি না। যে কারণে প্রতিবছর সাত-আট হাজার কোটি টাকা লোকসান হয়। এ বছর মনে হয় লোকসান আরো বাড়বে। কারণ ফার্নেস অয়েলের ওপর ডিউটি বসিয়েছে সরকার।’ এফইআরবির চেয়ারম্যান অরুণ কর্মকারের সভাপতিত্বে ও এফইআরবির নির্বাহী পরিচালক শামীম জাহাঙ্গীরের সঞ্চালনায় এই অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন এবং বাংলাদেশ ইনডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসারস অ্যাসেসিয়েশনের (বিআইপিপিএ) সভাপতি ইমরান করিম।



সাতদিনের সেরা