kalerkantho

রবিবার । ১০ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৫ জুলাই ২০২১। ১৪ জিলহজ ১৪৪২

বশেমুরবিপ্রবি

প্রক্টরের বিরুদ্ধে ১৭ সহকারী প্রক্টরের অনাস্থা

বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি   

৯ মে, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) প্রক্টর ড. রাজিউর রহমানের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে উপাচার্যের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন ১৭ জন সহকারী প্রক্টর। তাতে বলা হয়েছে, রুটিন উপাচার্যের মেয়াদকালে নিয়োগকৃত প্রক্টর ড. রাজিউর রহমানসহ সব সহকারী প্রক্টরের পদ অবৈধ এবং সাবেক উপাচার্য (চলতি দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মো. শাহাজাহান তাঁর ক্ষমতার বাইরে গিয়ে এসব নিয়োগ দিয়েছেন।

সহকারী প্রক্টর মাহবুব আলম বলেন, ‘ড. রাজিউর রহমান প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর দু-একটি বিষয়ে আমাদের ডাকলেও পরবর্তী সময়ে কোনো বিষয়ে আমাদের সঙ্গে সমন্বয় করেননি। বিশেষ করে আমি কাজ করার সুযোগ পাইনি। এ কারণে আমি নতুন উপাচার্য যোগদানের পরপরই অনাস্থা জানিয়েছিলাম। তাঁর নিয়োগ প্রশ্নবিদ্ধ। আর রুটিন দায়িত্ব পালনকালে এ ধরনের নিয়োগ দেওয়া যায় কি না, সেটা নিয়ে সংশয় রয়েছে। তা ছাড়া সহকারী প্রক্টরদের মাঝে থেকেও সিনিয়র কাউকে প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ দিতে পারতেন তিনি।’

উপাচার্য রুটিন দায়িত্ব পালনকালে প্রক্টর নিয়োগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ন্ত্রণ কমিশন (ইউজিসি) সদস্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর বলেন, ‘এখতিয়ারভুক্ত যেকোনো পদ শূন্য হলে রুটিন দায়িত্ব পালনকারী উপাচার্য ওই পদে নিয়োগ দিতে পারেন।’

ইউজিসি সচিব ড. ফেরদৌস জামান বলেন, রুটিন দায়িত্ব পালনকারী উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ সুষ্ঠুভাবে চালিয়ে নেওয়ার জন্য শূন্য হওয়া পদে কাউকে অস্থায়ীভাবে নিয়োগ দিতে পারেন।

সাবেক প্রক্টর আশিকুজ্জামান ভুইয়া ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করায় ২০১৯ সালের ১০ অক্টোবর আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. রাজিউর রহমানকে প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই অনাস্থার বিষয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে অবগত নন বলে জানান।

সাবেক উপাচার্য (রুটিন দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মো. শাহাজাহান বলেন, ‘আমি দায়িত্ব পালনকালে নিয়মবহির্ভূত কোনো কাজ করিনি। প্রক্টর পদ শূন্য হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ একজন শিক্ষককে ওই পদে নিয়োগ দিয়েছিলাম।’

উপাচার্য প্রফেসর ড. এ কিউ এম মাহবুব বলেন, ‘অভিযোগটি হাতে পেয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’



সাতদিনের সেরা