kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৭ জুলাই ২০২১। ১৬ জিলহজ ১৪৪২

দাম কমেছে সবজির, বেড়েছে তেল চিনি মসলার

রোকন মাহমুদ   

৮ মে, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঈদের কেনাকাটা ধীরে ধীরে বাড়তেই চিনির দাম চড়া। সেমাইয়ের দাম গত বছরের তুলনায় বেশি। পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরায় বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে মসলা। বোতলজাত ভোজ্য তেল গত সপ্তাহের দামে বিক্রি হলেও খোলা তেলের দাম বেড়েছে। মুরগি ও গরুর মাংসের দাম নতুন করে আর বাড়েনি। ডালের দামও আর বাড়েনি। শসা, লেবুসহ ঈদে চাহিদা বাড়ে এমন সবজির দাম কমে এসেছে।

বিক্রেতারা বলছেন, বোতলজাত তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে খোলা তেলের দামও বেড়েছে। ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) খোলাবাজারে স্বল্পমূল্যে তেল, চিনি ও ডাল বিক্রি করত। এতে বাজারে চাপ কম ছিল। গত বৃহস্পতিবার থেকে টিসিবির পণ্য বিক্রি বন্ধ হলে বাজারগুলোতে এসব পণ্যের চাহিদা বেড়ে যায়।

রাজধানীর কয়েকটি খুচরা বাজার ঘুরে দেখা যায়, এখন ৫০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে সব ধরনের সবজি। পটোল বিক্রি হচ্ছে ৩০-৩৫ টাকা কেজি, করলা ৪০-৪৫ টাকা, শসা ৩৫-৪০ টাকা, বেগুন ৪০-৫০ টাকা, আলু ২০ টাকা ও ঢেঁড়স বিক্রি হচ্ছে ৪০-৪৫ টাকা কেজি। লেবুর দাম কমে মাঝারি আকারের এক হালি পাওয়া যাচ্ছে ২০-৩০ টাকায়, যা আগে ছিল ৩০-৪০ টাকা।

বোতলজাত ও খোলা সব ধরনের ভোজ্য তেলের দাম লিটারে দুই থেকে পাঁচ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। সপ্তাহখানেক আগে খোলা সয়াবিন তেল খুচরায় ১৩০ টাকা কেজি পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে। চলতি সপ্তাহে তা বেড়ে ১৩৫-১৩৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তেলের সঙ্গে বেড়েছে ঈদের চাহিদার আরেক পণ্য চিনির দামও। খোলা চিনি কেজিতে দুই টাকা বেড়ে চিনি বিক্রি হচ্ছে ৭০-৭২ টাকা। অপরিবর্তিত রয়েছে প্যাকেটজাত চিনির দাম, কেজি ৭৫ টাকা। সব ধরনের সেমাইয়ের দাম গত বছরের তুলনায় ২০-৩০ টাকা বেড়েছে। খোলা লাচ্চা সেমাই ১০০-১২০ টাকা কেজি ও লম্বা সেমাই ৬০-৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ডালের দাম আগে থেকেই বাড়তি রয়েছে। বড় দানার মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ৭০-৭৫ টাকা কেজি।