kalerkantho

শুক্রবার । ৬ কার্তিক ১৪২৮। ২২ অক্টোবর ২০২১। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

মাস্ক না পরায় নিউ মার্কেটে ২১ জনকে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৫ মে, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনা মোকাবেলায় সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি সঠিকভাবে মানা হচ্ছে কি না, তা পরিদর্শনে গিয়ে রাজধানীর নিউ মার্কেটে অভিযান চালিয়ে ২১ জনকে আর্থিক জরিমানা করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১২টা থেকে শুরু হয়ে এ অভিযান চলে দুপুর ৩টা পর্যন্ত।

অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া ডিএমপির ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানিয়েছে, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে শপিং মল ও বিপণিবিতানগুলোয় সঠিকভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে কি না, তা পরিদর্শন করছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এই অভিযানের উদ্দেশ্য মানুষকে সচেতন করা।

গতকাল দুপুর ১২টা থেকে নিউ মার্কেটে অভিযান চালান ডিএমপির ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ডা. সঞ্জীব দাস। এ সময় মুখে মাস্ক না পরায় ২১ জনকে ছয় হাজার ৫০ টাকা জরিমানা করা হয়। এর মধ্যে ক্রেতা-বিক্রেতাকে সর্বনিম্ন ৩০ টাকা থেকে শুরু করে এক হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হয়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, অভিযান চলাকালে বেশির ভাগ ক্রেতা-বিক্রেতা স্বাস্থ্যবিধি মেনে কেনাবেচা করলেও ম্যাজিস্ট্রেট চলে যাওয়ার পর সেই আগের চিত্র।

নিউ মার্কেট এলাকায় বেশির ভাগ ক্রেতা-বিক্রেতাকে স্বাস্থ্যবিধি না মানতে দেখা গেছে। যারা মাস্ক পরে বের হয়েছে তাদের বেশির ভাগের মাস্ক থুতনির নিচে। এ ছাড়া সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার প্রবণতাও দেখা যায়নি।

অভিযান চালানো ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ডা. সঞ্জীব দাস বলেন, ‘সরকার যেদিন থেকে বিধি-নিষেধ ঘোষণা করেছে সেদিন থেকেই আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আমরা চাচ্ছি জনগণকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য উৎসাহিত করতে। আমরা বলতে চাই, ব্যবসা-বাণিজ্য সব কিছুই চলবে, তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে। এ বিষয়ে জনগণকে সচেতন করতে যতক্ষণ প্রয়োজন ততক্ষণ অভিযান পরিচালনা করব। জনগণ যদি সচেতন না হয় তাহলে অভিযানের সুফল মিলবে না।’

জরিমানার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘জরিমানা করা আমাদের মূল উদ্দেশ্য না। আমরা চাচ্ছি মানুষ সচেতন হোক। মানুষকে সচেতন করতেই এই অভিযান। যারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে না তাদের সক্ষমতা বিবেচনা করে সর্বনিম্ন ৩০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হয়েছে। আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’



সাতদিনের সেরা