kalerkantho

বুধবার । ১৩ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৮ জুলাই ২০২১। ১৭ জিলহজ ১৪৪২

জাতিসংঘে বাংলাদেশ

শান্তি রক্ষা মিশনে পর্যাপ্ত ও টেকসই বাজেট প্রয়োজন

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

৫ মে, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনগুলোর ওপর অর্পিত বহুমুখী দায়িত্ব পালনের জন্য পর্যাপ্ত ও টেকসই শান্তি রক্ষা বাজেটের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে বাংলাদেশ। গতকাল মঙ্গলবার ভোরে নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে শান্তি রক্ষা মিশনগুলোর বাজেট সেশনে বাংলাদেশের পক্ষে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমা পর্যাপ্ত ও টেকসই বাজেটের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, শান্তি রক্ষা মিশনগুলো যথোপযুক্ত বাজেট পেল কি না তাও নিশ্চিত করা জরুরি। শান্তি রক্ষা মিশনে সেনা ও পুলিশ প্রেরণকারী দেশগুলো যাতে তাদের শান্তিরক্ষী ও সাজ-সরঞ্জাম মোতায়েনের অর্থ যথাসময়ে পায়, তা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি। জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন জানায়, বাংলাদেশ বর্তমানে শান্তি রক্ষা কার্যক্রমে শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ। বিশ্বের সাতটি মিশনে বাংলাদেশের প্রায় সাত হাজার শান্তিরক্ষী কর্মরত রয়েছেন।

কভিড-১৯ মহামারির চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে শান্তিরক্ষীরা বিশ্বের সংঘাতপ্রবণ অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখার ক্ষেত্রে অব্যাহত ও নিবেদিতভাবে যে প্রচেষ্টাগুলো চালিয়ে যাচ্ছেন তার ভূয়সী প্রশংসা করেন রাষ্ট্রদূত ফাতিমা। তাই এ বাজেট বরাদ্দকালে যাতে কভিড-১৯ মহামারির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় বাড়তি অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয় সে বিষয়েও তিনি সদস্যগুলোকে আহ্বান জানান। 

শান্তি রক্ষা কার্যক্রমে নারীর অংশগ্রহণ আরো বাড়ানোর ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপগুলো তুলে ধরেন রাষ্ট্রদূত ফাতিমা। তিনি বলেন, শান্তি রক্ষায় নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধির বিষয়টি বাংলাদেশের ‘নারী, শান্তি ও সুরক্ষা’ বিষয়ক জাতীয় কর্মপরিকল্পনার মূল কৌশলের একটি। শান্তি রক্ষা কার্যক্রম বিশেষ করে এর উচ্চ পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ কম থাকার বিষয়টিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেন বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি।

তিনি বলেন, ‘জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা কার্যক্রমের সব স্তরে নারীর পূর্ণ, কার্যকর ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে অবশ্যই আমাদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।’

জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা কার্যক্রমের বাজেট বরাদ্দের বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত সাধারণ পরিষদের পঞ্চম কমিটির সভা প্রতিবছর মে মাসে অনুষ্ঠিত হয়।