kalerkantho

বুধবার । ৯ আষাঢ় ১৪২৮। ২৩ জুন ২০২১। ১১ জিলকদ ১৪৪২

সংশোধন করা হচ্ছে মেরিটাইম আইন

সামুদ্রিক দূষণে অর্থদণ্ড ১০ হাজার গুণ বাড়ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ মে, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিদ্যমান আইন অনুযায়ী সমুদ্রদূষণের জন্য অর্থদণ্ড নির্ধারণ করা আছে মাত্র পাঁচ হাজার টাকা। নামমাত্র মূল্যের এই শাস্তি পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আইন সংশোধন করে সামুদ্রিক দূষণে অর্থদণ্ড ১০ হাজার গুণ বাড়িয়ে পাঁচ কোটি টাকা করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে বিদ্যমান আইনে থাকা এক বছরের কারাদণ্ডের জায়গায় তিন বছর করা হচ্ছে।

গতকাল সোমবার অন্য দুটি আইনের খসড়ার সঙ্গে টেরিটরিয়াল ওয়াটার অ্যান্ড মেরিটাইম জোনস (সংশোধন) আইন-২০২১-এর খসড়ার সংশোধনে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এতে ওই পরিবর্তনগুলো আনা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী এবং সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা বৈঠকে যুক্ত ছিলেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিদেশি জাহাজ বা ডুবোজাহাজের বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশের ক্ষেত্রে ফৌজদারি ও দেওয়ানি উভয় ক্ষেত্রেই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে প্রস্তাবিত খসড়ায়। প্রস্তাবিত সংশোধনে আইনে ‘ইকনোমিক জোনের’ বদলে ‘এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন’ শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়েছে। এতে এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনের সব প্রাণিজ ও অপ্রাণিজ সম্পদের ওপর বাংলাদেশের সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে। বর্তমান আইনে সামুদ্রিক দূষণের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা বা সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ডের বিধান আছে। গতকাল মন্ত্রিসভায় পাস হওয়া সংশোধনে সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড সর্বনিম্ন দুই কোটি টাকা থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ কোটি টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি জাহাজ বা ব্যক্তির অপরাধ বা এ অঞ্চলের বিধি-বিধান ভঙ্গ করলে শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। সমুদ্রে যেসব অপরাধ সংঘটিত হয় তা ভিন্নমাত্রিক হওয়ায় পৃথক মেরিটাইম ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করার বিধান রাখা হয়েছে। এ ছাড়া অনেক ক্ষেত্রে সমুদ্রে সংঘটিত অপরাধ বা দুর্ঘটনার সাক্ষী পাওয়া যায় না। এ কারণে অনেক অপরাধের সঠিক বিচার হয় না। তাই এ ধরনের অপরাধ বা দুর্ঘটনা সংক্রান্ত ভিডিও, ফটোসহ যেকোনো ধরনের ইলেকট্রনিক রেকর্ডকে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করার বিধান সংযোজন করা হয়েছে প্রস্তাবিত আইনে।



সাতদিনের সেরা