kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৯ জুলাই ২০২১। ১৮ জিলহজ ১৪৪২

জাটকা সংরক্ষণ কর্মসূচি শেষ হচ্ছে আজ মধ্যরাতে

চাঁদপুর প্রতিনিধি   

৩০ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জাটকা সংরক্ষণে দেশের ছয়টি অভয়াশ্রমে দুই মাস সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ আছে। এ কারণে চাঁদপুরের পদ্মা ও মেঘনার জলে জেলেদের জাল পড়েনি। তবে সেই নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে আজ শুক্রবার মধ্যরাতে। এরপর শুরু হবে জলের সঙ্গে জেলেদের মিতালি। অবশ্য জেলার নদীপারের বেশির ভাগ জেলে এবার সরকারের নিষেধাজ্ঞা মেনে চললেও এক শ্রেণির জেলে জাটকা শিকারে ব্যস্ত ছিল। এর ফলে চলতি বছর লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ইলিশের উৎপাদন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সরকারি নিষেধাজ্ঞায় কষ্টে জীবন কেটেছে জেলার উত্তরে ষাটনল থেকে দক্ষিণের চরভৈরবী পর্যন্ত পদ্মা ও মেঘনাপারের হাজারো জেলের। এ সময় ঋণের কিস্তিসহ মহাজনের দায়দেনায় দুর্ভোগও ছিলে তাঁদের। তবে ১ মে থেকে নতুন করে আবারও মাছ ধরার পথ সুগম হওয়ায় এরই মধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন জেলেরা। জাল বুনে আর মাছ ধরার নৌকা মেরামত করে তাঁদের প্রস্তুতি শেষ হয়েছে।

চাঁদপুরে মৎস্যজীবী নেতা মানিক দেওয়ান জানান, নদীতে অভিযানে বেশ ঘাটতি ছিল। এতে সুযোগ নিয়েছে এক শ্রেণির আনাড়ি জেলে। ফলে নির্বিচারে জাটকা নিধন হয়েছে। যার কারণে ইলিশ উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকারি তালিকায় চাঁদপুরের পদ্মা ও মেঘনা নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন—এমন জেলের সংখ্যা প্রায় ৫২ হাজার। পরিবারের সদস্য মিলে মাছ ধরার ওপর জীবিকা নির্ভর করে প্রায় তিন লাখ মানুষের।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আসাদুল বাকী জানান, পদ্মা ও মেঘনার অভয়াশ্রমে গত দুই মাসে জাটকা সংরক্ষণ অভিযানে ৩৯ মেট্রিক টন জাটকা এবং ৩৮ কোটি আট লাখ মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জাটকা নিধনের দায়ে ৩০০ জেলেকে আটক করে কারাদণ্ড এবং পাঁচ শতাধিক জেলেকে আর্থিক জরিমানা করেন ভ্রাম্যমান আদালত। চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ জানান, জাটকা সংরক্ষণে প্রশাসনের উদ্যোগের কোনো ঘাটতি ছিল না। তার পরও কোথাও কোথাও জেলেরা জাটকা নিধনে তৎপর ছিল।



সাতদিনের সেরা