kalerkantho

সোমবার । ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১৭ মে ২০২১। ০৪ শাওয়াল ১৪৪

আলেম-উলামাদের নির্বিচারে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আলেম-উলামাদের নির্বিচারে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আমি আগেও বলেছি, গত কয়েক দিন ধরে এই লকডাউনের সুযোগ নিয়ে একটা ক্র্যাকডাউন করা হয়েছে। সেই ক্র্যাকডাউনের মধ্য দিয়ে একদিকে বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। অন্যদিকে দেশের ধর্মীয় নেতা-আলেম-উলামাদের নির্বিচারে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে এবং দুর্ভাগ্যজনকভাবে মানুষের কাছে যাঁরা অত্যন্ত শ্রদ্ধার পাত্র তাঁদের গ্রেপ্তার করে, তাঁদের বিরুদ্ধে অসংখ্য মিথ্যা মামলাও দেওয়া হচ্ছে।’

গতকাল সোমবার বিকেলে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, খুব স্পষ্ট করে বলতে চাই, ধর্মীয় নেতাদের এভাবে অপমান, হয়রানি করা এ দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ কোনোভাবেই মেনে নেবে না।

হেফাজতে ইসলাম সম্পর্কে বিএনপির অবস্থান পরিষ্কার করে ফখরুল বলেন, ‘হেফাজতে ইসলামের ব্যাপারে আমরা বরাবরই বলেছি, তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই। এটা কোনো রাজনৈতিক দলও নয়। সম্পূর্ণভাবে একটি ধর্মীয় সংগঠন।’

গত ২৬ মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘নিশ্চয়ই লক্ষ করেছেন, ২৬ মার্চ কয়েকটি ধর্মীয় সংগঠন, একই সঙ্গে অনেক রাজনৈতিক সংগঠন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফর উপলক্ষে বিরোধিতা করেছিল এবং বিক্ষোভ কর্মসূচি দিয়েছিল। আমরা দেখেছি, বায়তুল মোকাররমে যে বিক্ষোভ কর্মসূচি হচ্ছিল তা শান্তিপূর্ণ ছিল। এটাকে সহিংসতাপূর্ণ করে দেওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিল পুলিশের এবং তারপর আওয়ামী সন্ত্রাসীদের।’

ফখরুল বলেন, ‘সেই কারণে চট্টগ্রামের হাটহাজারী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এই ঘটনাগুলো সংঘটিত হলো। সেই কথাগুলো কিন্তু তারা (সরকার) কখনোই বলছে না। তারা বারবার করে দোষ চাপাচ্ছে ধর্মীয় সংগঠনগুলো এবং বিরোধী দল, বিশেষ করে বিএনপির ওপর।’

তিনি বলেন, ‘স্পষ্ট করে বলছি, ওইসব ঘটনার সঙ্গে বিএনপি কখনো জড়িত ছিল না। আমরা প্রতিবাদ করেছি, বিক্ষোভ করেছি, অবশ্যই। সেটা হচ্ছে, মানুষকে যখন বিনা কারণে হত্যা করা হলো। স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তীর ৫০ বছর তাকে কুলষিত করা হয়েছে জনগণের, মানুষের রক্ত দিয়ে—সেটারই আমরা বিরোধিতা করেছি।’