kalerkantho

সোমবার । ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১৭ মে ২০২১। ০৪ শাওয়াল ১৪৪

মাদারীপুরে মাদরাসাছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

লক্ষ্মীপুরে মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুমকি

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৯ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



মাদারীপুর সদর উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের বলাইরচর গ্রামে গত শনিবার রাতে ষষ্ঠ শ্রেণির এক মাদরাসাছাত্রীকে সংঘবব্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। রাতেই তাকে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। লক্ষ্মীপুরে শিশু (৬) ধর্ষণ মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় মামলার বাদী গতকাল রবিবার দুপুরে সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

মাদারীপুরে ভুক্তভোগী ছাত্রীর পরিবার গতকাল দুপুরে সদর মডেল থানায় মামলা করেছে। অভিযুক্তরা হলেন ঘটনাস্থল বলাইরচর গ্রামের মালেক মোড়লের ছেলে জাকির মোড়ল (৩০), লাল মিয়া মাতুব্বরের ছেলে বাদল মাতুব্বর (২০) এবং আরো দুজন। পুলিশ, পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কালিকাপুরের ছাত্রীটি শনিবার সন্ধ্যায় নিজ বাড়ির কাছেই তার মামাবাড়ি যায়। রাত ৮টার দিকে নিজ বাড়িতে ফিরছিল সে। এ সময় জাকির, বাদলসহ চারজন তাকে নির্জন রাস্তার পাশে নিয়ে ধর্ষণ করেন। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গেলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যান। গতকাল সকালে তার মেডিক্যাল আলামত সংগ্রহ করেছেন চিকিৎসকরা। নির্যাতিত ছাত্রীটি বলে, ‘আমি জাকির, বাদলসহ চারজনের বিচার চাই।’

মাদারীপুর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. রিয়াদ মাহমুদ বলেন, ‘আমরা ছাত্রীটিকে চিকিৎসা দিচ্ছি। ধর্ষণের আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।’ মাদারীপুর সদর মডেল থানার ওসি মো. কামরুল ইসলাম মিঞা বলেন, ‘আমরা আসামিদের ধরার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

লক্ষ্মীপুরে ৩ আগস্ট ‘ধর্ষণ’ ঘটনায় কারাবন্দি ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের পশ্চিম চরমনসা গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে কামাল হোসেন ও আমিন হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা তুলে নিতে হুমকির অভিযোগ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বলেন, ‘আসামির ছেলেরা আমাকে মেরে লাশ গুম করে ফেলবে বলে হুমকি দিয়ে আসছে। আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এ জন্য আমি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চাইছি।’

লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ওসি জসিম উদ্দিন বলেন, ‘অভিযোগটি পেয়েছি। ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তাসহ তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৩ আগস্ট বিকেলে বৃদ্ধ বাদশা মিয়া ছয় বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণ করেন। এ অভিযোগ পাওয়ার পরই বাদশাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। পরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে শিশুর বাবা মামলা করলে আদালত বাদশাকে কারাগারে পাঠান।

[প্রতিবেদনে তথ্য দিয়েছেন কালের কণ্ঠ’র মাদারীপুর ও লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি]