kalerkantho

শুক্রবার । ৪ আষাঢ় ১৪২৮। ১৮ জুন ২০২১। ৬ জিলকদ ১৪৪২

মির্জাবাড়ির সামনে ককটেল বিস্ফোরণ

উপজেলা আ. লীগ বলছে, এটি কাদের মির্জার ‘নাটক’

নোয়াখালী প্রতিনিধি   

১৮ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার বাড়ির সামনে ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটেছে। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা-ও তাত্ক্ষণিক জানা যায়নি। তবে উপজেলা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেছেন, ককটেল বিস্ফোরণের এই নাটক কাদের মির্জা নিজেই সাজিয়েছেন।

এদিকে কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামী লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় কাদের মির্জার সমর্থকরা যে মামলা করেছিল, সেই মামলায় গতকাল এক সাংবাদিকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হাসান ইমাম রাসেল নামের ওই সাংবাদিক দৈনিক আজকালের খবরের কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন।

ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে গত শুক্রবার রাত ১১টার দিকে; দাগনভূঞা-বসুরহাট সড়কের বড় রাজাপুর গ্রামে ‘মির্জার বাড়ি’র সামনে। এটি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের পৈতৃক বাড়ি।

আবদুল কাদের মির্জা ওই বাড়িতেই থাকেন। তাঁর ছোট ভাই শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘তারাবির নামাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলাম। ওই সময় দুধমুখার দিক থেকে একটি মাইক্রোবাস এবং দুটি মোটরসাইকেলে করে কয়েক ব্যক্তি বাড়ির সামনে আসে। এরপর আমাকে লক্ষ্য করে চারটি ককটেল নিক্ষেপ করলে একটির বিস্ফোরণ ঘটে। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা বসুরহাটের দিকে পালিয়ে যায়।’ এ ঘটনার জন্য রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দায়ী করেছেন শাহাদাত হোসেন।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মীর জাহিদুল হক রনি জানান, ঘটনাস্থল থেকে তিনটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে আবদুল কাদের মির্জাকে সন্ত্রাসী, মানসিক বিকারগ্রস্ত আখ্যায়িত করেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন নেতা। উপজেলা আওয়ামী লীগের ব্যানারে গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা বলেন, ‘সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে নিয়ে কাদের মির্জা যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা ঔদ্ধত্যপূর্ণ।’ সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাটি কাদের মির্জার সাজানো নাটক।

সংবাদ সম্মেলনে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খিজির হায়াত খান, সাধারণ সম্পাদক নুরনবী চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহামন বাদল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। খিজির হায়াত খান বলেন, ‘কাদের মির্জা হুমকি দিয়েছেন যে আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা ওবায়দুল কাদেরকে আর কোম্পানীগঞ্জ আসতে দেবেন না। তাঁর এই ধৃষ্টতা ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে আমরা ঐক্যবদ্ধ কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ ঘোষণা করছি যে আমাদের নেতা যেকোনো সময় কোম্পানীগঞ্জে আসতে পারবেন।’



সাতদিনের সেরা