kalerkantho

রবিবার । ২৬ বৈশাখ ১৪২৮। ৯ মে ২০২১। ২৬ রমজান ১৪৪২

হবিগঞ্জে অস্ত্রের মুখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৪ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



লকডাউনে ছুটি থাকায় সিলেটে অফিস থেকে হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় বাড়ি ফিরছিলেন এক নারী। গত রবিবার রাতে তাঁকে হবিগঞ্জে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে তিন যুবকের বিরুদ্ধে। রাতেই অভিযুক্ত দুই যুবককে ধরে পিটিয়ে পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয়রা। এই ঘটনায় সোমবার সদর থানায় ধর্ষণ মামলা করেন ভুক্তভোগী। পরে তিনি রাতে গ্রেপ্তার দুজন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুলতান উদ্দিন প্রধানের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ঝিকুয়া গ্রামের রেনু মিয়ার ছেলে সুজন মিয়া ও কাছম আলীর ছেলে সায়মন আহমেদ শামীম।

হবিগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. মাসুক আলী গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে জানান, রবিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে সিলেট থেকে বাসে এসে চুনারুঘাটের শায়েস্তাগঞ্জ নতুন সেতু এলাকায় এসে নামেন এক নারী (২৫)। বানিয়াচংয়ে নিজ বাড়ি যেতে (হবিগঞ্জ সদর হয়ে যেতে হয়) গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছিলেন তিনি। এ সময় সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকসহ দুই যুবক তাঁকে প্রভাবিত করে অটোরিকশাটিতে করে হবিগঞ্জে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাঁদের গতিবিধি ভালো মনে না হওয়ায় তিনি একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় হবিগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হন। তখন রাত ৮টা বাজে। এদিকে ওই নারীকে অনুসরণ করছিল সিএনজিচালিত অটোটি। কলিমনগরে পৌঁছালে তাঁকে বহনকারী অটোর ব্যাটারির চার্জ শেষ হয়ে যায়। এ সুযোগে তাঁকে কৌশলে নিজের গাড়িতে তোলেন সিএনজিচালিত অটোচালক জনি মিয়া। তাঁর অটোতে আরো ছিলেন সুজন মিয়া ও সায়মন আহমেদ শামীম। পরে দ্রুত অটো চালিয়ে ধুলিয়াখাল-মিরপুর সড়কে ঢুকে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের কাছে নির্জন বাগানে নিয়ে যান তাঁরা। সেখানে অটোতে তাঁরা ওই নারীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নির্যাতন করেন। এরপর তাঁকে নিয়ে হবিগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হন। পথে চরহামুয়া এলাকায় দোকানপাট খোলা দেখে চিৎকার শুরু করেন ভুক্তভোগী। পরে স্থানীয়রা ঘেরাও করে অটোসহ সুজন ও শামীমকে আটক করেন। তবে জনি পালিয়ে যান। ভুক্তভোগীকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আসামি জনিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।



সাতদিনের সেরা