kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১৮ মে ২০২১। ৫ শাওয়াল ১৪৪

বাবুইছানা নিধন

ইন্দুরকানীতে তিন কৃষকের কারাদণ্ড

ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি   

১৩ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে বাবুই পাখির বাসা ভাঙা ও ছানা নিধনের অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত তিন কৃষককে কারাদণ্ড দিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে উপজেলার দক্ষিণ ভবানিপুর গ্রামের কৃষক লুৎফর রহমানকে ১৫ দিন এবং তাঁর কৃষিকাজের সহযোগী সুনীল বেপারীকে সাত দিন ও সুভাষ মিস্ত্রিকে তিন দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

গতকাল সোমবার উপজেলার দক্ষিণ ভবানিপুর গ্রামে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পিরোজপুর জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অশোক কুমার চাকমা এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

জানা যায়, ইন্দুরকানী উপজেলার দক্ষিণ ভবানিপুরে কৃষক লুত্ফর রহমান এবং তাঁর কৃষিকাজের সহযোগী নাজিরপুরের সুনীল ও সুভাষ গত শনিবার দুটি তালগাছে থাকা বাবুই পাখির শতাধিক বাসা ভেঙে দেন। বাসাগুলোতে বাবুই পাখির ছানা ও ডিম ছিল।

নলছিটির ঘটনায় দুই জিডি

ঝালকাঠি প্রতিনিধি জানান, ঝালকাঠির নলছিটিতে বাবুই পাখির বাসায় আগুন দিয়ে বেশ কিছু ছানা মেরে ফেলার ঘটনায় থানায় পৃথক দুটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। গতকাল বন বিভাগ কর্তৃপক্ষ নলছিটি থানায় একটি জিডি করে। এর আগে গত রবিবার রাতে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় প্রতিবাদী যুবক আব্দুল্লাহ আল শিপন নিজের নিরাপত্তা চেয়ে একটি জিডি করেন।

জিডির বিষয়ে শিপন বলেন, ‘সেদিন পাখির ওপর নৃশংসতার প্রতিবাদ করেছিলাম। বিবেকের তাড়নায় পরে ফেসবুকে ছবি পোস্ট করি। কিন্তু এরপর দেখলাম আমার জীবন হুমকির মুখে। গত রবিবার জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেক্টরের (এনডিসি) উপস্থিতিতেই পাখি পোড়ানো জালাল সিকদারের লোকজন আমাকে অপমান করেন। এ ছাড়া তিনি ও তাঁর স্বজনরা নানাভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন। তাই নিজের নিরাপত্তা চেয়ে জিডি করেছি।’

অন্যদিকে বাবুই পাখির ছানা পোড়ানো উল্লেখ করে আরেকটি জিডি করেছে নলছিটি বন বিভাগ। এ প্রসঙ্গে ঝালকাঠি রেঞ্জের বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিয়াউল ইসলাম জিয়া বলেন, ‘নলছিটিতে বাবুই পাখির ছানা পোড়ানের বিষয়টি জানার পর উপজেলা বন কর্মকর্তা কার্তিক চন্দ্র মণ্ডল জিডি করেছেন।’

গত শুক্রবার নলছিটি উপজেলার ঈশ্বরকাঠি গ্রামে একটি তালগাছে বাবুই পাখির বাসা পুড়িয়ে দেন কৃষক জালাল শিকদার। পরে তিনি এ ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে জনসমক্ষে ক্ষমা চেয়েছেন।