kalerkantho

শুক্রবার। ৩১ বৈশাখ ১৪২৮। ১৪ মে ২০২১। ০২ শাওয়াল ১৪৪২

সোহাগের ‘পদ্মা সেতু’

আবু হাসান, ধামরাই (ঢাকা)   

১২ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সোহাগের ‘পদ্মা সেতু’

মাটি, বাঁশ, সিমেন্ট আর মোবাইল ফোনে ব্যবহৃত ছোট ছোট বাতি। উপাদান বলতে এগুলোই; এর সঙ্গে যোগ হয়েছে সাদা ও কালো রং। আর এসবেই আকার পেয়েছে স্কুলপড়ুয়া সোহাগ আহম্মেদের ‘পদ্মা সেতু’। ঢাকার ধামরাই উপজেলার সুতিপাড়া গ্রামে বাড়ির আঙিনায় নির্মিত তার খুদে পদ্মা সেতু আশপাশের মানুষের বড় কৌতূহলের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাবা কৃষক সুলতান আলী স্থানীয় ভালুম আতাউর রহমান খান স্কুল ও কলেজের দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলে সোহাগের এই সেতু নির্মাণের খেয়াল নিয়ে অসন্তুষ্ট ছিলেন। তবে দর্শনার্থীদের মুখে ছেলের তারিফ শুনে তাঁর গর্ব হয়। ছেলে বড় হয়ে যেন প্রকৌশলী হতে পারে, সে জন্য সবার দোয়া চান তিনি।

সোহাগও জানাল, তারও ইচ্ছা প্রকৌশলী হওয়ার। জাজিরায় পদ্মা সেতুর প্রথম স্প্যান বসানোর দিনই নাকি এর খুদে সংস্করণ বানানোর চিন্তা মাথায় খেলে তার। পরে ২০১৯ সালে মাটি ও বাঁশ দিয়ে নির্মাণ করে পর পর দুটি সেতু। তবে নির্মাণের কিছুদিন পরই সেগুলো ভেঙে যায়। এতে মন খারাপ হলেও হাল ছাড়েনি সে। পরে ইন্টারনেটে পদ্মা সেতুর মূল নকশা দেখে। এরপর ২০২০ সালের ১ নভেম্বর নতুন করে নির্মাণকাজ শুরু করে।

গত শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেতুতে চারটি লেন করা হয়েছে। নিচ দিয়ে গেছে রেললাইন। সেতুর নিচে মাটি খুঁড়ে পদ্মা নদীর আদলও ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এক প্রান্তে করা হয়েছে চেকপোস্ট। যদিও স্প্যানসংখ্যা অনেক কম।

কালিয়াকৈর থেকে আসা দুজন তরুণ দর্শনার্থী জানান, ফেসবুকে পদ্মা সেতুর আদলের দুটি ছবি দেখে কৌতূহল জাগে। তাই দেখতে এসেছেন। অনেক ভালো লেগেছে তাদের।