kalerkantho

মঙ্গলবার । ৮ আষাঢ় ১৪২৮। ২২ জুন ২০২১। ১০ জিলকদ ১৪৪২

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় প্রস্তুত সিএমপি

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

১১ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) সদস্যদের মধ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। গতকাল শনিবার পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ৫৬ জন পুলিশ সদস্য। সব কিছু বিবেচনা করেই প্রস্তুতি নিচ্ছে সিএমপি। তৈরি হচ্ছে পুলিশ সদস্যদের জন্য করোনা ওয়ার্ড।

অন্যদিকে করোনার শুরু থেকে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অসহায় মানুষের ঘরে ঘরে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়াসহ সার্বিক দায়িত্ব পালন করেছে সিএমপি। ফলে নতুনভাবে সেই পুরনো প্রস্তুতিই সম্পন্ন করছে সিএমপি।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় সিএমপি কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীরের নির্দেশনায় জরুরি ভিত্তিতে দামপাড়া পুলিশ লাইনসের বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালে জরুরিভাবে প্রস্তুত হচ্ছে ৫০ শয্যার করোনা ওয়ার্ড। ওই ওয়ার্ডে শুধু করোনা আক্রান্ত পুলিশ সদস্যদের ভর্তি করা হবে। এ ছাড়া সিএমপি স্কুলের পঞ্চম তলায় ১৫০ বেডের আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু হচ্ছে। সেখানে পুলিশ সদস্যরা আইসোলেশনে থাকতে পারবেন।

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনার গতকাল শনিবার বলেন, ‘করোনায় আক্রান্ত পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসার জন্য বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালে আলাদা ওয়ার্ডের ব্যবস্থা, আইসোলেশন ব্যবস্থা আরো উন্নত করা হয়েছে। এ ছাড়া আল মানাহিল হাসপাতাল ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পরিচালিত হাসপাতালের পাশে থাকছে সিএমপি।’

তা ছাড়া পুলিশ সদস্যদের আক্রান্ত হওয়া এবং আইসোলেশনে যাওয়ার কারণে মাঠের দায়িত্ব পালনে নেতিবাচক প্রভাব পড়লে করণীয় বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করবে সবাই, পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি।’

এর মধ্যে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পাহাড়তলী থানার সাগরিকা এলাকায় প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হোস্টেলকে প্রস্তুত করা হচ্ছে হাসপাতাল হিসেবে। ৭০ শয্যার এই হাসপাতালে সাধারণ রোগীরা বিনা মূল্যে চিকিৎসার সুযোগ পাবেন। এখানে সেন্ট্রাল অক্সিজেন ব্যবস্থা, হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা সুবিধা থাকছে রোগীদের জন্য। সিএমপি নিরাপত্তাসহ সার্বিক সহযোগিতা দেবে। গত বছরও বিদ্যানন্দকে করোনা হাসপাতাল পরিচালনায় সর্বাত্মকভাবে সহযোগিতা করেছে সিএমপি।

গত বছর মার্চে দেশে করোনা সংক্রমণ শুরুর পর সিএমপির সাতজন সদস্য করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৭৯২ জন। সুস্থ হয়েছেন ৭২৯ জন। নিহতদের মধ্যে উপকমিশনার (পুলিশ সুপার) পদের কর্মকর্তাও ছিলেন।