kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১৮ মে ২০২১। ৫ শাওয়াল ১৪৪

সরকারি সিদ্ধান্তে খুশি

বৈশাখ নিয়ে আপাতত নির্ভার ব্যবসায়ীরা

এম সায়েম টিপু   

১০ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিপণিবিতান ও দোকান খুলে দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তে খুশি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে যে বিনিয়োগ করেছেন তাঁরা, এর ফলে লোকসানের হাত থেকে আপাতত বেঁচে গেলেন বলে মনে করছেন তাঁরা।

গত বৃহস্পতিবার সরকারের দেওয়া প্রজ্ঞাপন অনুসারে গতকাল শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দোকান ও শপিং মল খোলা ছিল।  এ সিদ্ধান্তের জন্য সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন দোকান মালিক ও কর্মচারীরা।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সরকার গত সোমবার থেকে সাত দিনের বিশেষ নিষেধাজ্ঞা জারি করার পর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং দোকানিরা বিক্ষোভ করে আসছিলেন। এই সময় তাঁরা পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে যে বিনিয়োগ করেছেন তা লোকসানে পড়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘শুক্রবার থেকে দোকান খুলে দেওয়ার ফলে দেশের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা হাজার কোটি টাকা লোকসানের হাত থেকে রক্ষা পেলেন। দোকান খোলা রাখতে সরকারের দেওয়া স্বাস্থ্যবিধি শতভাগ পালন করা হবে।’

শান্তিনগর ইস্টার্ন প্লাসের দোকানকর্মী আব্দুল কাউয়ুম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘কাজ না থাকায় গত কয়েক দিন হাজিরা পাইনি। গ্রামের বাড়িতে মা অসুস্থ। ওষুধের টাকা পাঠাতে পারিনি।’

এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সহসভাপতি মো. জসিম উদ্দিন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘দোকান খোলার সরকারের সিদ্ধান্ত সঠিক। তবে স্বাস্থ্যবিধি মানায় যেন অবহেলা না হয়। কারণ জীবন থাকলেই জীবিকা। জীবনের প্রতি সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে।’

গাউসিয়া মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি কামরুল হাসান বলেন, ‘মার্কেট খোলার ঘোষণা শুনে ব্যবসায়ীরা দারুণ খুশি। ঈদের আগে বেশি বিক্রি হয়। সবাই এই সময়টার জন্য অপেক্ষায় থাকে।’

অন্যদিকে অর্থনীতিবিদ ও পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘যেদিন দেশে ৭৪ জন মানুষ করোনায় মারা গেল, সেদিন কিভাবে মার্কেট খোলার অনুমতি দেওয়া হয়—বিষয়টি আমার বুঝে আসে না। মার্কেট খুলে দেওয়ায় আগামী সপ্তাহ থেকে করোনা পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। জীবিকা বাঁচাতে জীবনকে যেন অবহেলা করা না হয়।’