kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৭ বৈশাখ ১৪২৮। ১০ মে ২০২১। ২৭ রমজান ১৪৪২

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া

ধর্ষণের শিকার ছাত্রীর পরিবার দেড় মাস ধরে বাড়িছাড়া

পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি   

৮ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিল তার পরিবার। পরে আসামিপক্ষের চাপে মামলাটি মীমাংসা করতে বাধ্য হয় পরিবারটি, তবে আসামিপক্ষের বাধায় পরিবারটি দেড় মাস ধরে নিজেদের ভিটায় ফিরতে পারছে না বলে অভিযোগ। ফিরলে তাদের হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। ফলে তাদের থাকতে হচ্ছে আত্মীয়-স্বজনের আশ্রয়ে। আরো অভিযোগ, ভুক্তভোগীরা এ নিয়ে থানায় অভিযোগ দিলেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না পুলিশ। ঘটনাটি কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার চরফরাদী ইউনিয়নের চরপাড়াতলা গ্রামের।

পরিবার ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় স্কুলছাত্রীটি তার ঘরে বসে পড়াশোনা করছিল। এ সময় চরপাড়াতলা গ্রামেরই আবদুছ ছালামের ছেলে দুই সন্তানের বাবা মো. আমিন মিয়া ঘরটিতে ঢুকে দরজা বন্ধ করে ছুরি ধরে ভয়ভীতি দেখিয়ে ছাত্রীটিকে ধর্ষণ করেন। এর পর থেকে অভিযুক্তের লোকেরা বিষয়টি নিয়ে মামলা না করতে মেয়েটির পরিবারকে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছিল। ঘটনার তিন দিন পর স্থানীয় ইউপি সদস্য (২ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার) হেলাল উদ্দিনের নেতৃত্বে প্রভাবশালীদের নিয়ে সালিস বসিয়ে এক লাখ টাকায় আপস-মীমাংসা করা হয়। এক সপ্তাহ পর মেয়ের বাবার নামে ওই টাকা দিয়ে এক বিঘা জমি ইজারা রেখে দেওয়া হয়। এর পর থেকেই মেয়ের পরিবারের ওপর অমানুষিক নির্যাতন শুরু করে অভিযুক্তরা। বাড়ির উঠানের মাঝ বরাবর টিনের বেড়া দিয়ে পরিবারটিকে অবরুদ্ধ করে রাখে। এ ছাড়া ইজারা জমিতে যাওয়া বন্ধ করে দেয়। পরে ১৪ জুলাই মেয়ের বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আদালতে মামলা করেন।



সাতদিনের সেরা