kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৭ বৈশাখ ১৪২৮। ১০ মে ২০২১। ২৭ রমজান ১৪৪২

সংক্ষিপ্ত

সিজারের ৫ মাস পর বের করা হলো গজ!

দেবীদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি   

৮ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাঁচ মাস আগে কুমিল্লার দেবীদ্বারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের (সিজার) মাধ্যমে সন্তান জন্ম দিয়েছিলেন মোসা. শারমিন আক্তার (২৫)। তবে সিজারের কিছুদিন পর থেকে তাঁর পেটে ব্যথা করছিল এবং কাটা স্থান থেকে পুঁজ বের হচ্ছিল। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কুমিল্লার ময়নামতি জেনারেল হাসপাতালে শারমিনের পেটে অস্ত্রোপচার (অপারেশন) করে পাওয়া গেছে এক পোটলা ‘গজ’ বা ‘ব্যান্ডেজ’। দীর্ঘদিন গজটি পেটে থাকায় তাতে পচন ধরে তাঁর জীবন সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে। মোসা. শারমিন আক্তার (২৫) কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার মোগসাইর গ্রামের মো. রাসেল মিয়ার স্ত্রী। দেবীদ্বারের আল ইসলাম হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়গনিস্টক সেন্টারে তাঁর সিজার করা হয়েছিল। শারমিন আক্তারের ভাই মো. রুহুল আমিন ও সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ৫ নভেম্বর শারমিন প্রসববেদনা নিয়ে আল ইসলাম হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়গনিস্টক সেন্টারের ৩০৩ নং কেবিনে ভর্তি হন। হাসপাতালটির কর্তব্যরত চিকিৎসক দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার রোজিনা আক্তার শারমিনকে দেখে জরুরি সিজার করতে পরামর্শ দেন। তাঁর পরামর্শে সেদিনই ডা. রোজিনা ও আল ইসলাম হাসপাতালের সার্বক্ষণিক চিকিৎসক শামীমা আক্তার লিন্টা শারমিনের সিজার করেন। শারমিন ছেলেসন্তান জন্ম দেন। সিজারের কিছুদিন পর থেকে শারমিনের পেটে ব্যথা ও ক্ষত থেকে পুঁজ বের হতে থাকে। পরে তাঁকে দেবীদ্বার ইবনে সিনা হাসপাতালে আলট্রাসনোগ্রাম করানো হয়। রিপোর্টে পেটে পানি জমে থাকার কথা বলা হয়। পরে ঢাকার বাংলাদেশ মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালেও আলট্রাসনোগ্রামের রিপোর্টে পানি দেখা যায়। চিকিৎসক পানি কমার ওষুধ দেন শারমিনকে। এতে পানি কমে এলেও ব্যথা কমেনি। সর্বশেষ ময়নামতি জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক কর্নেল আবু দাউদ মো. শরীফুল ইসলামের কাছে গেলে তিনি আলট্রাসনোগ্রাম করে পেটে একটা কিছু আছে বলে জানান।



সাতদিনের সেরা