kalerkantho

সোমবার । ৬ বৈশাখ ১৪২৮। ১৯ এপ্রিল ২০২১। ৬ রমজান ১৪৪২

কঠোর বিধি-নিষেধ

সারা দেশে সব কিছুই ঢিলেঢালা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সারা দেশে সব কিছুই ঢিলেঢালা

করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারি কঠোর বিধি-নিষেধ মানা হচ্ছে না। দেশের বিভিন্ন এলাকায় নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে জনগণ তাদের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। কোথাও কোথাও প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মামলা ও জরিমানা আদায় করলেও মানুষকে ঘরে রাখা যাচ্ছে না। অন্যদিকে বেশির ভাগ এলাকাতেই প্রশাসনের রয়েছে গাছাড়া ভাব। দোকানপাট খোলা রাখার দাবিতে বিক্ষোভও হয়েছে জেলায় জেলায়।

বগুড়া থেকে আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক জানান, বিভিন্ন মার্কেট ও দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ ছাড়া গতকাল বগুড়ায় জনজীবন স্বাভাবিক ছিল। গতকাল শহরে মানুষের ভিড় আরো বেড়েছে। সকাল থেকেই ছিল তীব্র যানজট।

রংপুর অফিস জানায়, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী গতকাল থেকে দেশের সব মহানগরীতে গণপরিবহন চলাচল করার কথা থাকলেও রংপুরে কোনো গণপরিবহন চলেনি। তবে রিকশা-অটোরিকশার দাপট ছিল চোখে পড়ার মতো। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখতে দেখা গেছে অনেক ব্যবসায়ীকে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিধি-নিষেধ মানার জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। দেখা গেছে, যে স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হচ্ছে সেখানকার দোকানপাট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। আবার আদালত ওই স্থান থেকে চলে গেলে আবার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা হচ্ছে।

আমাদের কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি জানান, করোনা ঠেকাতে সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসন থেকে নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও মানছে না অনেকেই। জেলা প্রশাসনের প্রচারণা ও মাইকিংয়ের পরও বিধি-নিষেধ না মানার প্রবণতা লক্ষ করা গেছে। পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি জানান, রংপুরের পীরগাছায় স্থানীয় প্রশাসনের নীরব ভূমিকার কারণে বিধি-নিষেধ কোনো কাজে আসছে না।  কোথাও সামাজিক দূরত্বের কোনো বালাই নেই। মাস্ক নেই ক্রেতা-বিক্রেতাদের মুখে। গাদাগাদি করে চলছে কেনাকেটা।

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি জানান, বিধি-নিষেধ উপেক্ষা করে গতকাল বসেছে সাপ্তাহিক হাটও। সড়কের দুই পাশে ফুটপাতে বসেছে দোকানপাট। সামাজিক দূরত্ব মানার কোনো বালাই নেই।

ঝালকাঠি প্রতিনিধি জানান, ঝালকাঠিতে গণপরিবহন ছাড়া সব কিছুই চলছে। স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই ঘর থেকে বের হচ্ছে মানুষ। বেশির ভাগ দোকানপাট খোলা। এ অবস্থায় ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

ফকিরহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি জানান, ফকিরহাটে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় দুই দিনে ১৫টি মামলায় ১৪ হাজার ২০০ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি  জানান, চকরিয়া উপজেলা প্রশাসনের দুজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সার্বক্ষণিক মাঠে তৎপর রয়েছেন। স্বাস্থ্যবিধি না মানা, মাস্ক পরিধান না করা, দোকান খোলা রাখাসহ বিভিন্ন অভিযোগে ৪৬ মামলা ও জরিমানা আদায় করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা