kalerkantho

শুক্রবার । ৪ আষাঢ় ১৪২৮। ১৮ জুন ২০২১। ৬ জিলকদ ১৪৪২

‘লকডাউনে’ মারধর

সালথা উপজেলা পরিষদ ও থানা ঘেরাও জনতার

সহকারী কমিশনারের কার্যালয়ে আগুন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর   

৬ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় সহকারী কমিশনারের (ভূমি) সঙ্গে থাকা এক সরকারি কর্মচারীর লাঠিপেটায় এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুলকালাম কাণ্ড ঘটে গেছে। গতকাল সোমবার রাতে উত্তেজিত জনতা ওই ঘটনার জন্য দায়ীদের শাস্তির দাবিতে উপজেলা পরিষদ ও থানা ঘেরাও করে রাখে। এ ছাড়া সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ফুকরা বাজারে চা পান করে বাড়ি ফিরছিলেন নটাখোলা গ্রামের জাকির হোসেন মোল্লা। ওই সময় সেখানে লকডাউনের কার্যকারিতা পরিদর্শনে উপস্থিত হন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মারুফা সুলতানা খান হীরামনি।

জাকির অভিযোগ করেন, কিছু বুঝে ওঠার আগেই এসি ল্যান্ডের গাড়ি থেকে নেমে এক ব্যক্তি তাঁর কোমরে লাঠি দিয়ে সজোরে বাড়ি মারেন। তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে জাকিরকে আহত করার খবরে সেখানে উপস্থিত সাধারণ মানুষ উত্তেজিত হয়ে ওঠে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে আরো গ্রামবাসী জড়ো হয়। এরপর সেখানে সালথা থানার একদল পুলিশ পৌঁছলে উত্তেজিত জনতা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে এসআই মিজানুর রহমানের মাথা ফেটে যায়। উত্তেজিত জনতা পরে সালথা থানা ঘেরাও করে।

সালথা থানার ওসি আশিকুজ্জামান বলেন, এসি ল্যান্ডের কাছ থেকে খবর পেয়ে ফুকরা বাজারে পুলিশ পৌঁছলে পুলিশের ওপর হামলা হয়। হামলায় এসআই মিজানুর রহমানের মাথা ফেটে যায়।

এ ব্যাপারে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মারুফা সুলতানা খান হীরামনির বক্তব্য জানা যায়নি। রাত ১১টায় এই প্রতিবেদন লেখার সময়ও জনতা থানা ও উপজেলা পরিষদ ঘেরাও করে রেখেছে।



সাতদিনের সেরা