kalerkantho

শুক্রবার । ৪ আষাঢ় ১৪২৮। ১৮ জুন ২০২১। ৬ জিলকদ ১৪৪২

এপ্রিলে আরো কালবৈশাখী

আজও ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৫ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বৈশাখ মাস আসতে আরো ৯ দিন বাকি, কিন্তু এরই মধ্যে তার আগমনী বার্তার জানান দিতে শুরু করেছে প্রকৃতি। গত কিছুদিন ধরে চলা তাপপ্রবাহকে হটিয়ে জায়গা করে নিয়েছে ঝড়-বৃষ্টি। গতকাল রবিবার বিকেলে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে কালবৈশাখী হানা দেয়। এপ্রিলের বাকি দিনগুলোতে আরো একাধিক কালবৈশাখীর আভাস দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

আজ সোমবারও দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে বলে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।

গতকাল বিকেলে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে কালবৈশাখীর হানার পর রাতেও কিছু অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টি হয়। সন্ধ্যার পর রাজধানীও ঝড়-বৃষ্টির কবলে পড়ে। হঠাৎ ঝোড়ো হাওয়া-বৃষ্টিতে লকডাউনের আগমুহূর্তে রাজধানী ছেড়ে গ্রামমুখী বহু মানুষ দুর্ভোগে পড়ে।

আবহাওয়াবিদ আবদুল মান্নান গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এই মাসটাই কালবৈশাখীর মাস। ফলে এপ্রিলজুড়ে একাধিক ঝড়-বৃষ্টি থাকবে, এটা নিশ্চিত করেই বলা যায়। আজ (রবিবার) থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে কালবৈশাখী শুরু হয়েছে। সোমবারও তা অব্যাহত থাকবে। তবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পৃথক পৃথক সময়ে এই কালবৈশাখী হতে পারে।’

গতকাল সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, চট্টগ্রাম, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দুয়েক জায়গায় বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে পাবনা, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া ও রাঙামাটি অঞ্চলগুলোর ওপর বয়ে যাওয়া মৃদু তাপপ্রবাহও অব্যাহত থাকতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে। আবহাওয়াবিদরা জানান, দেশে এপ্রিল-মে মাসে সাধারণত কালবৈশাখী হয়। এ সময় বঙ্গোপসাগর থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম আর্দ্র মৌসুমি বায়ু প্রচুর জলীয়বাষ্প নিয়ে দেশের ওপর দিয়ে দক্ষিণ দিক থেকে উত্তর দিকে প্রবাহিত হয় এবং পশ্চিমে ঘূর্ণিপাতের কারণে কিছু বাতাস পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়। ঠিক একই সময় দেশের ওপরের স্তরের একটি বাতাস পশ্চিম দিক থেকে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়, যাকে বলা হয় পশ্চিমা শীতল শুষ্ক বায়ু। এই দুই প্রকার বায়ু পরস্পর বিপরীত দিকে চলতে থাকে। এই  দুই বায়ুর মিলনস্থলে প্রচুর ঘন কালো বজ্রবাহী মেঘের সৃষ্টি হয় এবং শীতল বায়ু খুব দ্রুত নিচে নেমে এসে কালবৈশাখী ঝড়ের সৃষ্টি করে।



সাতদিনের সেরা