kalerkantho

শুক্রবার । ৪ আষাঢ় ১৪২৮। ১৮ জুন ২০২১। ৬ জিলকদ ১৪৪২

হত্যার পর করোনা আক্রান্ত বলে প্রচার

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

৫ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নিজের মেয়ের সঙ্গে ঝগড়ার কারণে পালিত মেয়ে কুলসুমা আক্তারকে (১৪) শ্বাসরোধে হত্যার পর করোনায় আক্রান্ত বলে প্রচার করেছিলেন এক মা। এ ঘটনায় জড়িত ওই মা সুমি আক্তার (৩০) গতকাল রবিবার চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম সারোয়ার জাহানের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠান। ঘটনাটি ঘটেছিল গত বছরের ৩ জুলাই রাতে। পুলিশের দাবি, প্রায় ১১ মাস তদন্তের পর তারা এর রহস্য উন্মোচন করতে সক্ষম হলো। ঘটনাটি চট্টগ্রাম মহানগরের আকবর শাহ থানা এলাকার। আকবর শাহ থানার ওসি মো. জহির হোসেন জানান, সে সময় সুমি আক্তার থানায় খবর দিয়ে দাবি করেন যে তাঁর পালক মেয়ে কুলসুমা সর্দি-জ্বরে আক্রান্ত হওয়ায় ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে খাওয়ানো হয়। এরপর সকালে বিছানায় তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে পুলিশ মরদেহের সুরতহাল তৈরি করে। সেখানে পুলিশের সন্দেহ হলে ময়নাতদন্ত করা হয়। অবশেষে গত শনিবার ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পায় পুলিশ। এতেই শ্বাসরোধ করে হত্যার কথা উঠে আসে। জিজ্ঞাসাবাদে সুমি আক্তার তা স্বীকারও করে নেন। গতকাল তিনি সর্বশেষ জবানবন্দিও দিয়েছেন। জানা যায়, সুমির স্বামী মো. আলমগীরের বড় ভাই মো. আনোয়ারের মেয়ে কুলসুমা। মেয়ের দেড় বছর বয়সে আনোয়ার মারা যান। পরে কুলসুমার মায়েরও অন্য জায়গায় বিয়ে হয়। এর পর থেকে ভাইয়ের মেয়েকে লালন-পালন করছিলেন এই দম্পতি। বর্তমানে আলমগীর প্রবাসে রয়েছেন। কিন্তু ভাতিজিকে লালন-পালন করার বিষয়টি সহজে মেনে নিতে পারেননি সুমি। অভিযোগ রয়েছে, কুলসুমাকে দিয়ে গৃহকর্মীর মতো সব কাজ করাতেন তিনি। পরে নিজের মেয়ের সঙ্গে ঝগড়া হওয়ায় শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।



সাতদিনের সেরা