kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ শ্রাবণ ১৪২৮। ৫ আগস্ট ২০২১। ২৫ জিলহজ ১৪৪২

বাংলাদেশের প্রশংসা পাকিস্তানি গণমাধ্যমেও

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩১ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বাংলাদেশের প্রশংসা পাকিস্তানি গণমাধ্যমেও

বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর সপ্তাহে বিদেশি বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম গত ৫০ বছরের অর্জনগুলোর জোরালো প্রশংসা করেছে। ওই সব গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন ও নিবন্ধগুলোতে ফুটে উঠেছে অমিত সম্ভাবনাময় এক বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার গল্প।

জাপানের নিক্কেই এশিয়ায় গত শুক্রবার প্রকাশিত এক বিশ্লেষণের শিরোনাম ছিল ‘৫০-এ বাংলাদেশ : স্বাধীনতার পর থেকে দেশটি কিভাবে এগোল’। তৈরি পোশাক রপ্তানি ও রেমিট্যান্সে ভর করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে পাকিস্তানকেও ছাড়িয়ে যাওয়াসহ বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশের অগ্রগতি ও সাফল্যের তথ্য রয়েছে নিক্কেই এশিয়ার বিশ্লেষণে।

যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন পলিসি ম্যাগাজিনে গত ২৫ মার্চ ভারতের বিখ্যাত সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ ও পররাষ্ট্রনীতি বিশ্লেষক সি রাজা মোহন ভূ-রাজনীতিতে বাংলাদেশের বিস্ময়কর উত্থানের বিশ্লেষণ করেছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, স্বাধীনতার ৫০ বছর পর বাংলাদেশ ভূ-রাজনীতিতে এক বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। সি রাজা মোহনের বিশ্লেষণ, বাংলাদেশ যখন পাকিস্তান থেকে স্বাধীনতা ঘোষণার ৫০ বছর পালন করছে, তখন তার অর্থনৈতিক ও সামাজিক রূপান্তরের সাফল্যের কারণে ব্যাপক প্রশংসা পাচ্ছে।

সি রাজা মোহন লিখেছেন, ‘আজ বাংলাদেশ দ্বিতীয় মুক্তির পথে আছে। প্রথমত এটি তার আপেক্ষিক বিচ্ছিন্নতার অবসান ঘটাবে। এটি ঢাকাকে এই অঞ্চল ও তার বাইরে আরো জোরালো ভূমিকা রাখার সুযোগ করে দেবে।’

পাকিস্তানের করাচিভিত্তিক সাউথ এশিয়া ম্যাগাজিন তাদের চলতি মার্চ মাসের সংখ্যা সাজিয়েছে বাংলাদেশ নিয়ে। মূল প্রচ্ছদে আছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর পেছনে বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা। আর তার পেছনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। প্রচ্ছদেই শিরোনাম—‘বাংলাদেশের ৫০ বছর : উদীয়মান সূর্য!’ পাকিস্তানের সাবেক সিনেটর জাভেদ জব্বার লিখেছেন মূল নিবন্ধ ‘লাইফ বিগিনস ইন ফিফটি’ (৫০-এ জীবনের শুরু)। সেখানে তিনি সাতজন বিশিষ্ট বাংলাদেশির কাছ থেকে অগ্রযাত্রার কারণগুলো শুনেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ব্ল্যাক হিলস স্টেট ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ইমেরিটাস ড. আহরার আহমেদ ‘প্লিজেন্ট সারপ্রাইজ’ শিরোনামে লিখেছেন বাংলাদেশের চমৎকার অগ্রগতির কথা। যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক ড. ফরিদা খান লিখেছেন কভিড মহামারি-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের উচ্চ প্রবৃদ্ধি থাকা না থাকার সম্ভাবনা নিয়ে বিশ্লেষণ।

সাউথ এশিয়ান ফোরাম অব এমপ্লয়ার্সের প্রেসিডেন্ট মজিদ আজিজ লিখেছেন স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ নিয়ে। যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের সোয়াস চায়না ইনস্টিটিউটের রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট ডানকান বার্টলেট ‘কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়’ শিরোনামে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখার প্রচেষ্টা বিশ্লেষণ করেছেন।

স্টেট ইউনিভার্সিটি অব নিউ ইয়র্কের অর্থনীতির অধ্যাপক বীরুপাক্ষ পাল লিখেছেন বাংলাদেশের ‘উন্নয়ন বিস্ময়’। ইসলামাবাদে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট পলিসি ইনস্টিটিউটের রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট মাজেদ আজিজ লিখেছেন ‘অর্থনৈতিক সমাধান’ নিয়ে।



সাতদিনের সেরা